Indian Origin Doctor gave $1 Million to MAGA: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক তহবিলে বিপুল অর্থ অনুদান দিয়ে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত চিকিৎসক কৃষ্ণ ত্রিপুরানেনি। আয়কর জালিয়াতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুই বছর কারাদণ্ড ভোগ করা এই চিকিৎসক বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা (Presidential Pardon) চেয়ে আবেদন করেছেন। এমন পরিস্থিতিতেই তিনি ট্রাম্পের রাজনৈতিক তহবিলে ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছেন, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

মার্কিন ফেডারেল ইলেকশন কমিশনের (FEC) নথি অনুযায়ী, ফ্লোরিডার বাসিন্দা এবং অবসরপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কৃষ্ণ ত্রিপুরানেনি চলতি বছরের জুন মাসে ট্রাম্পের রাজনৈতিক সংগঠন ‘মাগা ইনক’ (MAGA Inc)-কে ১০ লক্ষ ডলার অনুদান দেন। এই অনুদানের ফলে তিনি ২০২৬ সালে ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির অন্যতম বড় ভারতীয় বংশোদ্ভূত দাতা হিসেবে উঠে এসেছেন।
শুধু ত্রিপুরানেনিই নন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত আরও এক বিশিষ্ট ব্যক্তি, প্রযুক্তি সংস্থা প্যালান্টিরের (Palantir) চিফ টেকনোলজি অফিসার শ্যাম শঙ্করও চলতি বছরে ট্রাম্পপন্থী তহবিলে ১০ লক্ষ ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন। আগামী নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে চলা গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) আগে এই বিপুল অনুদান রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।
তবে কৃষ্ণ ত্রিপুরানেনির অতীত নিয়ে প্রশ্নও কম নয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ মার্কিন ডলারের আয় গোপন করেছিলেন। সেই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে তাঁকে দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। কারামুক্ত হওয়ার পর চলতি বছর তিনি মার্কিন ‘প্যার্ডন অ্যাটর্নি’-র দফতরে রাষ্ট্রপতির ক্ষমার আবেদন করেছেন।
ত্রিপুরানেনির আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি সাজা সম্পূর্ণভাবে ভোগ করেছেন এবং এখন ‘প্যার্ডন আফটার কমপ্লিশন অব সেন্টেন্স’-এর আওতায় ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। যদি প্রেসিডেন্ট তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেন, তবে তাঁর বেশ কয়েকটি নাগরিক অধিকার পুনর্বহাল হবে। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার, জুরি বোর্ডে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ এবং ভবিষ্যতে সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার আইনি অধিকার।
{{/usCountry}}ত্রিপুরানেনির আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি সাজা সম্পূর্ণভাবে ভোগ করেছেন এবং এখন ‘প্যার্ডন আফটার কমপ্লিশন অব সেন্টেন্স’-এর আওতায় ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। যদি প্রেসিডেন্ট তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেন, তবে তাঁর বেশ কয়েকটি নাগরিক অধিকার পুনর্বহাল হবে। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার, জুরি বোর্ডে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ এবং ভবিষ্যতে সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার আইনি অধিকার।
{{/usCountry}}ত্রিপুরানেনির ক্ষমা প্রার্থনার আবেদনের মাঝেই ট্রাম্পের রাজনৈতিক তহবিলে এত বড় অঙ্কের অনুদান দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী আইনে বৈধভাবে রাজনৈতিক অনুদান দেওয়া যায়, তবু ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন চলাকালীন এমন অনুদান স্বাভাবিকভাবেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত ত্রিপুরানেনির ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে তাঁর আবেদন গৃহীত হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই চিকিৎসকের বিপুল অনুদান ২০২৬ সালের মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।