Indian Student: বিদেশ বিভূঁইয়ে ফের প্রাণ হারালেন এক ভারতীয় ছাত্রী। এবার কানাডার নায়গ্রা এলাকায় এক দুষ্কৃতী ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে ২২ বছর বয়সি গুজরাটের তরুণী বিধি কল্পেশভাই মেঘা। পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত তরুণীর ওপর দুষ্কৃতীর বর্বরোচিত এই হামলার ঘটনায় গোটা ভারতীয় ছাত্রমহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এই আবহে নিহত ছাত্রীর বাবা জানিয়েছেন, এক মাদক ব্যবসায়ীর হাতেই খুন হয়েছেন তাঁর কন্যা।

জানা গেছে, বিধি কল্পেশভাই মেঘা গত ১৫ মে সেন্ট ক্যাথারিন্সে খুন হন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, ঘটনার ১০ দিনেরও বেশি সময় পর তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়। তাঁর বাবা কল্পেশভাই মেঘা সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে জানান, এক মাদক ব্যবসায়ী বিধির কাছ থেকে টাকা আদায় করতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, 'বিধি তার সঙ্গে তর্কে জড়ায় এবং টাকা দিতে অস্বীকার করে। তখন লোকটি তাঁকে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে... পরে আমাকে জানানো হয় যে সে আর বেঁচে নেই। আমি আমার আত্মীয়স্বজনকে একটি আনুষ্ঠানিক ইমেলের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছি।' মেয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য তাঁর মৃতদেহ ভারতে ফেরত পাঠাতে কানাডা সরকারকে আবেদন জানিয়েছেন শোকস্তব্ধ বাবা। তিনি বলেন, 'আমার মেয়ের নাম বিধি কল্পেশ মেঘা। সে চার বছর ধরে কানাডায় ছিল। সরকারের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমার মেয়ের দেহ যেন যত দ্রুত সম্ভব ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়।'
বিধির বাবা আরও জানান, গুজরাট মন্ত্রিসভার সদস্য তথা বরসাদের বিজেপি বিধায়ক রমনভাই সোলাঙ্কি এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিধির দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি যাতে আর বিলম্বিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সোলাঙ্কি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতর উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ করেছেন। এই বিষয়ে বিধায়ক রমনভাই সোলাঙ্কি বলেন, 'আমাদের বরসাদের মেয়ে বিধি মেঘার এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর আমি গতকাল রাতেই পেয়েছি। আজ সকালে আমি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। আমি তাদের সমবেদনা জানিয়েছি। সরকারের কাছে তাদের একটাই দাবি-মেয়ের দেহ যেন দ্রুত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়, এবং আমি সেই দাবি যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দিয়েছি।' বিধি গুজরাটের বরসাদ শহরের বাসিন্দা ছিলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি দীর্ঘ চার বছর ধরে কানাডায় বসবাস করছিলেন। বিধি সেখানে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পড়তে গিয়েছিলেন। তাঁর তিন বছরের কোর্স শেষ হয়েছে। এর পরে তিনি পিএসডব্লিউ (পার্সোনাল সাপোর্ট ওয়ার্কার) অনার্স কোর্স করতে শুরু করেছিলেন। গত ১৮ মে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ৪০ বছর বয়সি জোশুয়া সেন্ট ওমারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নায়াগ্রা আঞ্চলিক পুলিশ সার্ভিস (এনআরপিএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে 'সেকেন্ড-ডিগ্রি মার্ডার' বা দ্বিতীয়-স্তরের খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
{{/usCountry}}বিধির বাবা আরও জানান, গুজরাট মন্ত্রিসভার সদস্য তথা বরসাদের বিজেপি বিধায়ক রমনভাই সোলাঙ্কি এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিধির দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি যাতে আর বিলম্বিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সোলাঙ্কি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতর উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ করেছেন। এই বিষয়ে বিধায়ক রমনভাই সোলাঙ্কি বলেন, 'আমাদের বরসাদের মেয়ে বিধি মেঘার এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর আমি গতকাল রাতেই পেয়েছি। আজ সকালে আমি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। আমি তাদের সমবেদনা জানিয়েছি। সরকারের কাছে তাদের একটাই দাবি-মেয়ের দেহ যেন দ্রুত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়, এবং আমি সেই দাবি যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দিয়েছি।' বিধি গুজরাটের বরসাদ শহরের বাসিন্দা ছিলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি দীর্ঘ চার বছর ধরে কানাডায় বসবাস করছিলেন। বিধি সেখানে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পড়তে গিয়েছিলেন। তাঁর তিন বছরের কোর্স শেষ হয়েছে। এর পরে তিনি পিএসডব্লিউ (পার্সোনাল সাপোর্ট ওয়ার্কার) অনার্স কোর্স করতে শুরু করেছিলেন। গত ১৮ মে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ৪০ বছর বয়সি জোশুয়া সেন্ট ওমারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নায়াগ্রা আঞ্চলিক পুলিশ সার্ভিস (এনআরপিএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে 'সেকেন্ড-ডিগ্রি মার্ডার' বা দ্বিতীয়-স্তরের খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে ভারতীয়দের ওপর আক্রমণের ঘটনা যেন এক উদ্বেগজনক ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। মাত্র দু’দিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার একটি সুপারমার্কেটে কর্মরত এক গুজরাটি মহিলাকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। পরপর এই দুই ঘটনায় প্রবাসে থাকা ভারতীয়রা আতঙ্কিত। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, বিশ্বজুড়ে অভিবাসীদের প্রতি যে ঘৃণার রাজনীতি ও অসহিষ্ণুতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তার প্রত্যক্ষ শিকার হচ্ছেন প্রবাসী মানুষ। কানাডা পুলিশের তদন্ত এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।