...
...
Next Story

US Comment on India-Pak War: আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না, ভারত-পাক সংঘাতেও সমাধান নেই: আমেরিকা

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাই যদি ঠিক ভাবে কাজ না করে, তা হলে বিশ্বের বড় বড় সংঘাতের সমাধান হবে কী করে? প্রশ্ন তুললেন মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও। বললেন, 'আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না, ভারত-পাক সংঘাতেও সমাধান নেই।'

Published on: Sep 24, 2026, 08:12:18 IST
Advertisement

US Comment on India-Pak War: আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাই যদি ঠিক ভাবে কাজ না করে, তা হলে বিশ্বের বড় বড় সংঘাতের সমাধান হবে কী করে? রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের আবহে এমনই প্রশ্ন তুললেন আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিও। তাঁর দাবি, বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। ভারত-পাকিস্তানের মতো সম্ভাব্য সংঘাত সামলানোর মতো কার্যকর কাঠামোও এখন নেই।

This is one of the many steps that Indian Army has undertaken after Operation Sindoor
This is one of the many steps that Indian Army has undertaken after Operation Sindoor

বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রুবিও বলেন, একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা থাকা অবশ্যই দরকার। রাষ্ট্রপুঞ্জের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখনও পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নিজের নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও উদ্দেশ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে নানা বিষয়ে জড়িয়ে পড়েছে। অথচ বিশ্বের বড় বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে কার্যকর সমাধান দিতে পারছে না।

রুবিওর কথায়, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিভিন্ন দেশের নেতাদের মধ্যে একটি বিষয়ে প্রায় ঐকমত্য রয়েছে—আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না। তিনি উদাহরণ হিসাবে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সংঘাতের কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনও সংঘাত তৈরি হলে তা সামলানোর ক্ষেত্রেও বর্তমান আন্তর্জাতিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রগুলিকে শেষ পর্যন্ত নিজেদের জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিতে হয়।

রুবিওর এই মন্তব্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গও। এক দিন আগেই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প ফের দাবি করেন, গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত থামাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ১০ মে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পরে দুই দেশ ‘পূর্ণ ও অবিলম্বে’ সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

তবে ভারতের বক্তব্য ভিন্ন। নয়াদিল্লি বার বার জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বন্ধের সমঝোতা হয়েছিল দুই দেশের সামরিক বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস বা ডিজিএমও-দের সরাসরি কথাবার্তার মাধ্যমে। কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ছিল না—এই অবস্থানও স্পষ্ট করেছে ভারত।

ফলে রুবিওর মন্তব্যে এক দিকে রাষ্ট্রসংঘ ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্য দিকে ভারত-পাক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কে কতটা ভূমিকা নিয়েছিল, সেই পুরনো বিতর্কও ফের সামনে এসেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks