IPAC Case in SC: 'আদালত ধরেই নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করেছেন?', আইপ্যাক মামলায় বলল রাজ্য সরকার
সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি চলছে আজ। সেই মামলার শুনানিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলল রাজ্য সরকার। কপিল সিব্বল বলেন যে সুপ্রিম কোর্ট কি এখনই ধরে নিচ্ছে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধ করেছেন?
ইডির তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করলে কোথায় যাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা? তা রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে আইপ্যাক মামলার শুনানির সময় ইডির (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) মৌলিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে রাজ্য। সেই রেশ ধরে সওয়াল-জবাবের মধ্যেই একটি পর্যায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পিকে মিশ্র বলেন, ইডির তদন্তে যদি মুখ্যমন্ত্রী করেন, তাহলে আপনার মতে প্রতিকারের সময় কেন্দ্রীয় সংস্থার যাওয়া উচিত রাজ্যের কাছে এবং তাদের কাছে প্রতিকার চাওয়া দরকার? যে রাজ্য সরকারের মাথায় আছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী।

‘আদালত কি ধরে নিচ্ছে যে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করেছেন?’
বিচারপতি মিশ্রের সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সিব্বল বলেন যে সুপ্রিম কোর্ট কি এখনই ধরে নিচ্ছে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধ করেছেন? পালটা বিচারপতি মিশ্র বলেন যে শীর্ষ আদালত কোনও কিছু ধরে নিচ্ছে না। এটাই অভিযোগ উঠেছে। আদালতকে ভুল বুঝবেন না। প্রতিটি অভিযোগই নির্দিষ্ট কিছু তথ্যের ভিত্তিতে হয়। যদি কোনও তথ্য না থাকে, তাহলে তদন্ত করতে হবে। সেই কারণেই সিবিআই তদন্ত চাওয়া হয়েছে বলে জানান বিচারপতি মিশ্র।
আরও পড়ুন: স্থায়ী কমিশন-পেনশন! মহিলা সেনা অফিসারদের জন্য যুগান্তকারী রায় সুপ্রিম কোর্টের
ইডি কীভাবে মৌলিক অধিকার চেয়ে মামলা করতে পারে? প্রশ্ন রাজ্যের
আর সুপ্রিম কোর্ট সেই মন্তব্য করেছে রাজ্য সরকারের সওয়ালের প্রেক্ষিতে। আজ রাজ্যের আইনজীবী সিব্বল সওয়াল করেন যে ইডি কীভাবে মৌলিক অধিকার চেয়ে মামলা করতে পারে? সেইসঙ্গে সিব্বল সওয়াল করেন যে কোনও রাজ্যের কোনও নির্দিষ্ট থানার আওতাধীন এলাকায় অপরাধ ঘটে, তাহলে রাজ্যই তদন্ত করে থাকে। প্রথমেই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে ধরে নেওয়া যায় না।
আরও পড়ুন: নয়া আরশোলার প্রযুক্তি খোঁজ মিলল ভারতে! ডিএনএ প্রযুক্তিতেই মুশকিল আসান
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থার অফিসে অভিযান চালায় ইডি। দু'জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী যান। সেখান থেকে ফাইল ও নথি নিয়ে চলে আসেন। সেই ঘটনা নিয়ে মামলা ও পালটা মামলা দায়ের করা হয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


