IPAC Director Vinesh Chandel: ইডির তল্লাশি অভিযানের পরপরই নাকি আইপ্যাকের কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মীর সঙ্গে কনফারেন্স কলে কথা হয়েছিল ডিরেক্টর বিনেশ চন্ডেলের। সেই সময় বেশ কিছু ইমেল এবং তথ্য ল্যাপটপ ও মোবাইল থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এই আবহে ইডি অভিযোগ করছে, তথ্য লোপাট করার চেষ্টা করেছিলেন বিনেশ। দাবি করা হচ্ছে, আইপ্যাকের অর্থনৈতিক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন বিনেশ। তিনি নাকি '৫০ শতাংশ চেক' নীতি চালু করেছিলেন। তাতে সংস্থার কাছে আসা পেমেন্টের ৫০ শতাংশ হত চেকে, বাকিটা নগদে। এই আবহে রাজনৈতিক দলগুলির এবং দুর্নীতির টাকা নগদে আইপ্যাকের কাছে এসেছে বলে অভিযোগ ইডির।

এদিকে ইডি বলছে ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আইপ্যাক-এর অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা এসেছিল ‘রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থা থেকে। এই অর্থ নাকি ঋণ হিসেবে নিয়েছিল আইপ্যাক। তবে উক্ত রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোনও ব্যাঙ্ক বা আর্থিক সংস্থা নয়। এই আবহে ইডি সন্দেহ করছে, রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার নামক সংস্থার মাধ্যমে হাওয়ালা লেনদেন করত আইপ্যাক।
তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা নিয়ে হাওয়ালা মারফত বাইরে পাঠানো হয়েছে। ইডির বক্তব্য, অন্তত ৫০ কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ হয়েছে। থার্ড পার্টি থেকে টাকা নিয়ে হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন করা হত। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকেই নাম উঠে আসে বিনেশের। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতেই বিনেশের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছিল ইডি। বিনেশের গ্রেফতারির পরপরই আদালতে পেশ করা হয় তাঁকে। মধ্যরাতে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত সেশন জাজের বেঞ্চে পেশ করা হয় আইপ্যাক কর্তাকে। ভোর পর্যন্ত চলে শুনানি। এই আবহে তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠান বিচারক।
এদিকে এবার ইডি-র নজরে প্রতীক জৈনের পরিবার। আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি এবং ভাই পুলকিতকে তলব করেছে ইডি। অবৈধ লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এর আগে গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চালিয়েছিল। সেই সময় সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। খালি হাতে ঢুকে যান প্রতীকের বাড়িতে। তারপর সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন। সেখানে তৃণমূলের হার্ডডিস্ক, কৌশল সংক্রান্ত নথি আছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। পরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস থেকে একগুচ্ছ নথি তোলা হয় গাড়িতে। পরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাগজ, নথি, ফাইল পড়েছিল। সেগুলো তৃণমূলের কাগজপত্র। সেগুলিই গাড়িতে তোলা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন মমতা। এদিকে আইপ্যাকের থেকে কোনও জিনিস বাজেয়াপ্ত করলে ইডি অফিসারদের গ্রেফতার করা হবে - পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার নাকি এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
{{/usCountry}}এদিকে এবার ইডি-র নজরে প্রতীক জৈনের পরিবার। আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি এবং ভাই পুলকিতকে তলব করেছে ইডি। অবৈধ লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এর আগে গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চালিয়েছিল। সেই সময় সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। খালি হাতে ঢুকে যান প্রতীকের বাড়িতে। তারপর সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন। সেখানে তৃণমূলের হার্ডডিস্ক, কৌশল সংক্রান্ত নথি আছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। পরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস থেকে একগুচ্ছ নথি তোলা হয় গাড়িতে। পরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাগজ, নথি, ফাইল পড়েছিল। সেগুলো তৃণমূলের কাগজপত্র। সেগুলিই গাড়িতে তোলা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন মমতা। এদিকে আইপ্যাকের থেকে কোনও জিনিস বাজেয়াপ্ত করলে ইডি অফিসারদের গ্রেফতার করা হবে - পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার নাকি এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
{{/usCountry}}