...
...
Next Story

IPAC ED Probe Case: আইপ্যাকের প্রতীক জৈনকে ইডির হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে কি আরও ফাঁসিয়ে দিলেন মমতা?

দিল্লি হাইকোর্টে ইডি যুক্তি দিয়ে বলে, কলকাতায় সিবিআই এবং ইডির অফিস তদন্তের জন‍্য সুরক্ষিত নয়। উল্লেখ্য, আইপ্যাক অফিস এবং প্রতীকের বাড়িতে ইডি হানার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ফাইল ছিনতাইয়ের' বিষয়টি এখন 'হাতিয়ার' হিসেবে ব্যবহার করছে ইডি।

Published on: Apr 2, 2026, 13:03:55 IST
Advertisement

কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈন এবং ঋষি রাজ সিংকে দিল্লিতে জেরা করতে চায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে ইডি যুক্তি দিয়ে বলে, কলকাতায় সিবিআই এবং ইডির অফিস তদন্তের জন‍্য সুরক্ষিত নয়। উল্লেখ্য, আইপ্যাক অফিস এবং প্রতীকের বাড়িতে ইডি হানার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ফাইল ছিনতাইয়ের' বিষয়টি এখন 'হাতিয়ার' হিসেবে ব্যবহার করছে ইডি।

ইডি হানার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ফাইল ছিনতাইয়ের' বিষয়টি এখন 'হাতিয়ার' হিসেবে ব্যবহার করছে ইডি। (PTI)
ইডি হানার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ফাইল ছিনতাইয়ের' বিষয়টি এখন 'হাতিয়ার' হিসেবে ব্যবহার করছে ইডি। (PTI)

উল্লেখ্য, কয়লাকাণ্ডে জেরার জন্য প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিং-কে দিল্লিতে তলব করা হলে সেই তলবের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন তাঁরা। ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে বা কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান তাঁরা। তাঁদের যুক্তি, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু নির্বাচনে স্ট্র্যাটেজি তৈরির কাজে ব্যস্ত তাঁরা। এদিকে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি ইডিকে প্রশ্ন করেন, পাঁচবছর ধরে কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্ত চলছে। এই আবহে এখনই কেন তলব করা হচ্ছে আইপ্যাক কর্তাদের? এরই সঙ্গে ইডিকে এই নিয়ে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়।

এদিকে আইপ্যাক মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাণ্ডকারখানাকে ভালো চোখে দেখেনি সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণ করেছিল, 'ইডির তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত। ভবিষ্যতে যদি অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীও এ ভাবে অন্য কোনও দফতরে প্রবেশ করেন, তখন তার বিচার কী ভাবে হবে?' উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ এনেছিল ইডি। সঙ্গে অভিযোগ করা হয়, ইডি হানার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe