...
...
Next Story

Iran Attacks US Radar in Qatar: আমেরিকার চোখে আঘাত ইরানের, পশ্চিম এশিয়ায় 'অন্ধ' মার্কিন বাহিনী

কাতারের এই রাডারের সাহায্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করতে পারত আমেরিকা। তবে এই হামলার জেরে আমেরিকার সেই ক্ষমতা আর থাকল না। এক কথায় এই অঞ্চলে আপাতত আমেরিকা কতকটা 'অন্ধ'।

Published on: Mar 6, 2026, 11:08:04 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে হামলা চালিয়ে চলেছে আইআরজিসি। এদিকে ইরান যখন উপসাগরীয় দেশগুলিতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, সেই সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগরে একটি ইরানি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে এখন রিপোর্টে দাবি করা হল, ইরানের হামলায় কাতারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থাকে ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে 'আমেরিকার চোখ' নামেও বলা হয়। প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলারের রাডার সিস্টেমটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

১.১ বিলিয়ন ডলারের রাডার সিস্টেম ধ্বংসের দাবি ইরানের (REUTERS)
১.১ বিলিয়ন ডলারের রাডার সিস্টেম ধ্বংসের দাবি ইরানের (REUTERS)

কাতারের এই রাডারের সাহায্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করতে পারত আমেরিকা। তবে এই হামলার জেরে আমেরিকার সেই ক্ষমতা আর থাকল না। এক কথায় এই অঞ্চলে আপাতত আমেরিকা কতকটা 'অন্ধ'। স্যাটেলাইট চিত্রে মার্কিন সামরিক পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি উঠে এসেছে। প্ল্যানেট ল্যাবসের প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গিয়েছে, মার্কিন বাহিনীর এএন/এফপিএস-১৩২ (ব্লক ৫) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আগাম সতর্কতা রাডার সিস্টেমের চারপাশে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই রাডার সিস্টেমটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী দ্বারা পরিচালিত বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা রাডার। আপগ্রেড আর্লি ওয়ার্নিং রাডার (ইউইডব্লিউআর) প্রোগ্রামের আওতায় আমেরিকান প্রতিরক্ষা কোম্পানি রেথিয়ন এই রাডার সিস্টেমটি তৈরি করে। এই রাডার সিস্টেমটি ৫ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র চিহ্নিত করতে সক্ষম। কাতারে এর অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এখান থেকে এই রাডার ইরান, ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক, মধ্য এশিয়ার কিছু অংশ এমনকি ভারত মহাসাগরেও পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe