২৬ ফেব্রুয়ারি ফের একবার আলোচনার টেবিলে বসার কথা ইরান এবং আমেরিকার। ইতিমধ্যেই ওমানের তরফ থেকে সেই কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা যেন ক্রমেই বাড়ছে। আর এই আবহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে নিজেকে শক্তিশালী করতে শুরু করেছে ইরান। ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান রকেট কেনার জন্য রাশিয়ার সাথে ৫৮৯ মিলিয়ন ডলার মূল্যে একটি গোপন চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তি গত ডিসেম্বরেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির অধীনে, রাশিয়া তিন বছরের মধ্যে ৫০০টি ম্যান-পোর্টেবল ভার্বা লঞ্চ ইউনিট এবং ২৫০০টি ৯এম৩৩৬ রকেট সরবরাহ করবে ইরানকে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত অস্ত্র রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান রোসোবোরোনএক্সপোর্ট এবং ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী লজিস্টিকসের প্রতিনিধিরা মস্কোতে এই চুক্তিতে সই করেছিল। জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসেই এই সব অস্ত্র কেনার জন্যে রাশিয়ার কাছে আবেদন জানিয়েছিল ইরান। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসেই ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলিতে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। এরপর থেকেই ইরান যেন আরও বড় ধরনের হামলার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল।
এদিকে ইরানে হামলার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে সম্প্রতি আমেরিকাকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর বার্তা, ইরানের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক মহলের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলবে। এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরমাণু আলোচনা সফল না হলে মার্কিন হামলা অবিশ্যম্ভাবী। এর জন্য ইরানও সামরিক ও অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলির সুরক্ষা জোরদার করার দিকে নজর দিয়েছে তেহরান। হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের নৌবাহিনীর ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বিমান হামলা হলে তা প্রতিহত করার জন্য মহড়া চলছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা রয়েছে বর্তমানে। আমেরিকার দু'টি বিমানবাহী রণতরী, শতাধিক যুদ্ধবিমান, এক ডজন যুদ্ধজাহাজ আছে ইরানের কাছাকাছি। ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং দেখা গিয়েছে যে, ১৫০টিরও বেশি কার্গো ফ্লাইট অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বহন করে নিয়ে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। বেশ কয়েকটি এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে ওই এলাকার দিকে যেতে দেখা গেছে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি জ্বালানী ভরানোর ট্যাঙ্কার বিমানও দেখা গেছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে থাকা সৈনিকদেরও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেখান থেকে। মার্কিন হামলা হলে ইরানের পালটা জবাবের আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ আমেরিকা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা রয়েছে বর্তমানে। আমেরিকার দু'টি বিমানবাহী রণতরী, শতাধিক যুদ্ধবিমান, এক ডজন যুদ্ধজাহাজ আছে ইরানের কাছাকাছি। ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং দেখা গিয়েছে যে, ১৫০টিরও বেশি কার্গো ফ্লাইট অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বহন করে নিয়ে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। বেশ কয়েকটি এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে ওই এলাকার দিকে যেতে দেখা গেছে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি জ্বালানী ভরানোর ট্যাঙ্কার বিমানও দেখা গেছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে থাকা সৈনিকদেরও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেখান থেকে। মার্কিন হামলা হলে ইরানের পালটা জবাবের আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ আমেরিকা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}