ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যু হয়েছে মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলায়। তাঁর পরিবারেরও অনেকের মৃত্যু হয়েছে এই হামলায়। মৃত্যুকালে খামেনেইর বয়স ছিল ৮৬ বছর। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদে ছিলেন। তিনি ইরানের ইসলামি শাসনের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকে তিনি আর বিদেশ ভ্রমণে যাননি। এহেন খামেনেইর মৃত্যুর পরে কে হতে পারে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা? এই নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে।
ইরানের সংবিধান অনুসারে, ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। এই পদে আসীন হওয়ার দৌড়ে অনেক বিশিষ্ট নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হল আয়াতোল্লা আলিরেজা আরাফি। তিনি ইরানের মাদ্রাসা ব্যবস্থার প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য। এছাড়াও সম্ভাব্যদের তালিকায় আছে হুজ্জত-উল-ইসলাম মোহসেন কওমির নাম। তিনি খামেনেইর কার্যালয়ের শীর্ষ স্থানীয় উপদেষ্টা এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। এরপর নাম আসছে আয়াতোল্লা মোহসেন আরাকির। তিনি বিশেষজ্ঞ পরিষদের প্রবীণ সদস্য।
এছাড়া নাম উঠে এসেছে জি এইচ মোহসেনি এজেইর। তিনি ইরানের বর্তমান বিচার বিভাগের প্রধান। হাসমে হুসেইনি বুশেরির নাম নিয়েও চর্চা চলছে। তিনি ইরানে জুমার নমাজের নেতা। দেশের প্রবীণ আলেমদের মধ্যে বেশ প্রভাবশালী তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন নেতা বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ক্ষমতার লড়াই ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে নড়বড়ে করে দিতে পারে। এটি কেবল ইরানের ভবিষ্যত বিদেশনীতি এবং পারমাণবিক কর্মসূচির দিকনির্দেশাই নির্ধারণ করবে না, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণকে চিরতরে পরিবর্তন করে দিতে পারে।
এদিকে খামেনেইর মৃত্যুর পরে ইসলামি শাসনব্যবস্থাকে শেষ করার ডাক দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খামেনেইর মৃত্যুসংবাদ প্রকাশ করে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন খামেনেই, তিনি মারা গিয়েছেন। খামেনেই ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা পঙ্গু হওয়া অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হল। এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের একমাত্র শ্রেষ্ঠ সুযোগ।' তবে এখন ইরানে শাসনব্যবস্থায় বদল আসে নাকি নতুন কোনও সর্বোচ্চ নেতাকে বেছে নেওয়া হয়, সেদিকে নজর পশ্চিম এশিয়া সহ গোটা বিশ্বের।
{{/usCountry}}এদিকে খামেনেইর মৃত্যুর পরে ইসলামি শাসনব্যবস্থাকে শেষ করার ডাক দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খামেনেইর মৃত্যুসংবাদ প্রকাশ করে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন খামেনেই, তিনি মারা গিয়েছেন। খামেনেই ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা পঙ্গু হওয়া অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হল। এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের একমাত্র শ্রেষ্ঠ সুযোগ।' তবে এখন ইরানে শাসনব্যবস্থায় বদল আসে নাকি নতুন কোনও সর্বোচ্চ নেতাকে বেছে নেওয়া হয়, সেদিকে নজর পশ্চিম এশিয়া সহ গোটা বিশ্বের।
{{/usCountry}}