India-Iran Bilateral Talk Update: US-কে বুঝিয়ে যুদ্ধ থামাতে ভারতের দুয়ারে ইরান, আলোচনায় পাক-চিনকে চাপে রাখার উপায়ও
India-Iran Bilateral Talk Update: ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পদের বুঝিয়ে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে সওয়াল করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
India-Iran Bilateral Talk Update: মধ্য়প্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর জন্য ভারতের সহযোগিতা চাইল ইরান। সোমবার কিরঘিস্তানে সাংহাই কো-অপারেশন সামিটের (এসসিও) বৈঠকের ফাঁকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকার বিরুদ্ধে নালিশ করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি দাবি করেন, কূটনীতির পরিবর্তে যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছে আমেরিকা। সেই পরিস্থিতিতে শান্তি ফেরানোর জন্য ভারত যাতে নিজের প্রভাব কাজে লাগায়, সেই আর্জি জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট। সেইসঙ্গে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে চাবাহার বন্দর-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বার্তা দেন।

ভালো সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ভারত রক্তপাত থেকে রক্ষা করে, আর্জি ইরানের
ইরানের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পেজেশকিয়ান মোদীকে বলেছেন যে ‘বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে ভারতের যে খুব ভালো সম্পর্ক আছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে ওদের (আমেরিকাকে) যুদ্ধ ও রক্তপাতের পথ থেকে সরে এসে আলোচনা ও সমঝোতার পথে ফিরে আসতে যেন সহায়তা করে (নয়াদিল্লি)।’
চাবাহার নিয়ে মোদীকে বার্তা ইরানের
সেই রেশ ধরে চাবাহার নিয়েও আলোচনা হয়েছে মোদী এবং পেজেশকিয়ানের মধ্যে। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, সাংস্কৃতিক এবং পারস্পরিক স্বার্থ জড়িয়ে থাকা অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে ইরান ও ভারতের। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার মাধ্যমে আমরা উভয় দেশের মধ্যেকার সম্পর্ককে আরও উন্নত করতে পারি।’
এমনিতে চাবাহার বন্দর ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ইস্যু। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের অংশ হিসেবে যে গদর বন্দরের উপরে জোর দেওয়া হয় দুই পড়শি দেশের তরফে, তার পালটা হিসেবে ইরানের চাবাহার বন্দরের উপরে গুরুত্ব আরোপ করে নয়াদিল্লি। কিন্তু আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার জেরে সেই চাবাহার নিয়ে কিছুটা জট তৈরি হয়। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের সময় সেখানে হামলাও চালায় আমেরিকা।
আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা, চাবাহার বন্দর ও ভারত
তারইমধ্যে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমহিন্দু বিজনেস লাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চাবাহার বন্দরের শহিদ বেহেশতি টার্মিনালের পরিচালনার দায়িত্ব ইরানি সরকারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করছে ভারত। গত এপ্রিলে এই প্রকল্পের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা-ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভারত এখন এমন সব সুরক্ষাকবচ বা শর্ত নিশ্চিত করতে চাইছে, যাতে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে নয়াদিল্লি পুনরায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে পারে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


