পশ্চিম এশিয়ায় জারি অশান্তি ও হিংসা। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের প্রধানের মৃত্যুর পরে নয়া প্রধান নিয়োগ করা হয়েছে। আর এরপরই নতুন করে ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালাতে শুরু করেছে ইরান। এই আবহে ইরান দাবি করল, তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে কুয়েতে মার্কিন নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ভারতে ইরানি দূতাবাস থেকে পোস্ট করা বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, কয়েতের আবদুল্লা মুবারক এলাকায় ৪টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ১২টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা সব পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এদিকে মার্কিন রণতরীর জন্য গোলাবারুদ বহনকারী একটি জাহাজে চারটি ড্রোন হামলা চালায় ইরান। আমেরিকান রণতরীর জন্য জ্বালানি বহনকারী একটি জাহাজেও ইরানের কাদের৩৮০ ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে বলে দাবি করা হয়। এই জাহাজে হামলা চালানো হয় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালেই ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। এরই জবাবে পালটা হামলা চালায় ইরান। এদিকে ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে এই সংঘাতের আবহে তেল আবিবগামী এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ান মাঝআকাশ থেকে ফিরে আসে ভারতে। ইরান এবং ইজরায়েল উভয় দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। বিশ্বজুড়ে বহু উড়ান সংস্থা তাদের উড়ান বাতিল করে। জবাবি হামলায় ইরানের তরফ থেকে মিসাইল ছোড়া হয় পশ্চিম এশিয়ার ৬টি দেশে। কাতার, সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে বিস্ফোরণ শোনা যায়। বাহারিনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও আছড়ে পড়ে ইরানি মিসাইল। এছাড়াও ইজরায়েলের বহু জায়গায় হামলা চালায় ইরান। এরই মাঝে ভারতীয় সময় গভীর রাতে প্রথম দাবি করা হয় খামেনেইর মৃত্যুর বিষয়ে। এরপরে জানা যায়, আইআরজিসি প্রধান এবং ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। এরপরও হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পালটা হামলা চালিয়ে এবার জবাব দিচ্ছে ইরান।