Iran War Updates: চিন যাতে ইরানকে অস্ত্র না পাঠায়, সেই শর্তে চিনা জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়ত করতে দিচ্ছে আমেরিকা। তবে এরই মধ্যে রিপোর্টে দাবি করা হল, রহস্যজনক চিনা বিমান নাকি ইরানে অবতরণ করছে। এবং অনুমান করা হচ্ছে, সেই বিমানে অস্ত্র থাকলেও থাকতে পারে। এই আবহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে ধারাভাষ্যকার মারিও নোফাল দাবি করেছেন, চিনের চারটি কার্গো বিমান গোপনে ইরানে অবতরণ করেছে। তিনি দাবি করেন, অবতরণের আগে বিমানগুলো তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেয় যাতে কেউ তাদের তথ্য পেতে না পারে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চারটি উড়োজাহাজ অবতরণের আগে একসঙ্গে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টা যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে না। এদিকে ইরান বা চিনের পক্ষ থেকে এসব বিমান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে এর আগে দাবি করা হচ্ছিল, চিনা স্যাটেলাইটের সাহায্যেই আমেরিকার বিরুদ্ধে জোরদার হামলা চালিয়েছিল ইরান। তবে চিনের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বুধবার বলেছেন, এ ধরনের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা। চিন ইরানকে কোনও স্যাটেলাইট সহায়তা দেয়নি। তবে এর আগে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি এবং সেই সব ঘাঁটিতে থাকা আমেরিকার রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করার জন্য চিনকে সাহায্য করেছিল চিন। এই আবহে ট্রাম্প চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, চিন যদি ইরানকে সাহায্য করে, তাহলে তার পরিমাণ খারাপ হবে।
এরই মাঝে সামনে এল ইরনে রহস্যজনক চিনা বিমানের অবতরণের বিষয়টি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই প্যাটার্নে একাধিক বিমান যেভাবে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দিয়ে অবতরণ করেছে, তাতে সন্দেহ বাড়তে বাধ্য। এরই মাঝে ইরান ঘোষণ দেয়, তারা হরমুজ প্রণালী 'খুলে দিয়েছে'। তবে আমেরিকা এখনও হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে ইরান পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আমেরিকা যদি হরমুজ অবরোধ জারি রাখে, তাহলে তারা ফের এই সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেবে। এদিকে ট্রাম্প আবর দাবি করেছেন, ইরান নাকি তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার আমেরিকার কাছে হস্তান্তরে রাজি হয়েছে। যদিও ট্রাম্পের এই দাবি পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। এই আবহে সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম এশিয়া কিছুটা শান্ত হলেও ফের সংঘর্ষ বাঁধার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।