Iran War Latest Update: ইরান-আমেরিকা সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। একের পর এক সামরিক হামলা, পাল্টা হুঁশিয়ারি এবং কূটনৈতিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ অস্থির হয়ে উঠছে। মঙ্গলবারও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সামনে এসেছে, যা এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এই আবহে ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের হোভেইজেহ কাউন্টিতে একটি গম সংরক্ষণাগারে মার্কিন হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স। খুজেস্তানের ডেপুটি গভর্নরের বক্তব্য অনুযায়ী, হামলায় শস্য সংরক্ষণের একটি বড় সাইলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। যদিও হামলার ফলে খাদ্য পরিকাঠামোর উপর আঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইরান।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নতুন করে জর্ডন ও কুয়েতের জনগণের উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিয়েছে। আইআরজিসির দাবি, তারা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। সেই সঙ্গে জর্ডনের নাগরিকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, যেন তাদের দেশকে অন্য ইসলামিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে না দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মার্কিন সেনাদের দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সবরকম উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
কুয়েতের জনগণের উদ্দেশেও একই ধরনের বার্তা দিয়েছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, মার্কিন দখলদারিত্ব থেকে ইসলামিক ভূখণ্ডকে মুক্ত করতে হবে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তাদের 'নাসর-২' অভিযানের ষষ্ঠ ধাপে জর্ডনের আজরাক বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের আশ্রয়স্থল ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই ঘাঁটিতে থাকা এফ-১৫, এফ-১৬, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং এমকিউ-৯ ড্রোনের জন্য ব্যবহৃত একাধিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
তবে জর্ডনের সেনাবাহিনী আইআরজিসির এই দাবির সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি তুলে ধরেছে। জর্ডনের সামরিক বাহিনীর দাবি, ইরান থেকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় ঢোকার আগেই প্রতিহত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলি জর্ডনকে লক্ষ্য করেই ছোড়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে সে দেশের সেনা। সফলভাবে সেগুলি ভূপাতিত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
{{/usCountry}}তবে জর্ডনের সেনাবাহিনী আইআরজিসির এই দাবির সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি তুলে ধরেছে। জর্ডনের সামরিক বাহিনীর দাবি, ইরান থেকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় ঢোকার আগেই প্রতিহত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলি জর্ডনকে লক্ষ্য করেই ছোড়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে সে দেশের সেনা। সফলভাবে সেগুলি ভূপাতিত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
{{/usCountry}}মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক এই সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। ইরান, আমেরিকা এবং তাদের মিত্র দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না হলে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে, যার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে।