মার্কিন টর্পেডোতে ধ্বংস হওয়া আইআরআইএস ডেনা-র বেঁচে যাওয়া ক্রু-কে ইরানে ফেরত না পাঠানোর জন্য শ্রীলঙ্কাকে চাপ দিচ্ছে আমেরিকা। এমনই দাবি করা হল রিপোর্টে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি অভ্যন্তরীণ মেমো উদ্ধৃত করে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কার হেফাজতে থাকা আরও একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস বুশেরের ক্রুকেও যাতে তাদের দেশে ফেরত না পাঠানো হয়, এই মর্কে শ্রীলঙ্কাকে অনুরোধ করেছে আমেরিকা।

রিপোর্ট অনুযায়ী, কলম্বোতে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেইন হাওয়েল শ্রীলঙ্কা সরকারকে বলেছিলেন যে বুশেহর ক্রু বা আইরিসের বেঁচে যাওয়া ৩২ জনকে ইরানে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না। আমেরিকার বক্তব্য, বেঁচে যাওয়া এই ক্রু-দের ব্যবহার করে ইরান মার্কিন বিরোধী প্রচার চালাতে পারে। এদিকে রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, আইআরআইএস বুশেরের ২০৮ জন ক্রু এবং আইআরআইএস ডেনার ৩২ জন ক্রুকে তাদের দলে আনার জন্য চেষ্টা করছে কলম্বোতে নিযুক্ত মার্কিন এবং ইজরায়েলি কূটনীতিকরা। এদিকে ভারতের কোচিতে আশ্রয় নেওয়া ইরানি জাহাজের ক্রুদের নিয়ে ভারত সরকারের কাছে আমেরিকা এই ধরনের কোনও আবেদন করেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, তেহরানের অনুরোধে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর কোচিতে ইরানি যুদ্ধজাহাজটিকে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই জাহাজটির ১৮৩ জন ক্রুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে। এর আগে গত ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে একটি মার্কিন সাবমেরিন টর্পেডো দিয়ে ইরানি রণতরী ডুবিয়ে দিয়েছিল। সেদিনই আইআরআইএস লাবন নামক ইরানি যুদ্ধজাহাজটিকে আশ্রয় দেয় ভারত। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের আয়োজিত আন্তর্জাতিক নৌবহর পর্যালোচনা অনুষ্ঠান 'মিলন'-এ অংশ নিতে এই অঞ্চলে এসেছিল সেই যুদ্ধজাহাজটি।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা চালানোর দিনই আইআরআইএস লাভান ভারতের কাছে আশ্রয় চায়। এর একদিন পরে ১ মার্চ ভারতের তরফ থেকে আইআরআইএস লাভানকে ভারতের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর গত ৪ মার্চ এই রণতরীটি কোচি বন্দরে পৌঁছায়। সেদিনই আইআরআইএস ডেনা শ্রীলঙ্কার উপকূল থেকে প্রায় ১৯ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে গিয়েছিল, যার জেরে অন্তত ৮৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। সেই যুদ্ধজাহাজের উদ্ধারকাজে ভারতীয় নৌসেনাও রণতরী পাঠিয়েছিল।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা চালানোর দিনই আইআরআইএস লাভান ভারতের কাছে আশ্রয় চায়। এর একদিন পরে ১ মার্চ ভারতের তরফ থেকে আইআরআইএস লাভানকে ভারতের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর গত ৪ মার্চ এই রণতরীটি কোচি বন্দরে পৌঁছায়। সেদিনই আইআরআইএস ডেনা শ্রীলঙ্কার উপকূল থেকে প্রায় ১৯ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে গিয়েছিল, যার জেরে অন্তত ৮৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। সেই যুদ্ধজাহাজের উদ্ধারকাজে ভারতীয় নৌসেনাও রণতরী পাঠিয়েছিল।
{{/usCountry}}