...
...
Next Story

Irani Warship Docked in India: মার্কিন রোষের মুখে থাকা ইরানের রণতরীকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত, দাবি রিপোর্টে

গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা চালানোর দিনই আইআরআইএস লাভান ভারতের কাছে আশ্রয় চায়। এর একদিন পরে ১ মার্চ ভারতের তরফ থেকে আইআরআইএস লাভানকে ভারতের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর গত ৪ মার্চ এই রণতরীটি কোচি বন্দরে পৌঁছায়।

Published on: Mar 7, 2026, 07:29:33 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

তেহরানের অনুরোধে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর কোচিতে ইরানি যুদ্ধজাহাজটিকে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হল রিপোর্টে। সেই জাহাজটির ১৮৩ জন ক্রুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে। এর আগে গত ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে একটি মার্কিন সাবমেরিন টর্পেডো দিয়ে ইরানি রণতরী ডুবিয়ে দিয়েছিল। সেদিনই আইআরআইএস লাবন নামক ইরানি যুদ্ধজাহাজটিকে আশ্রয় দেয় ভারত। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের আয়োজিত আন্তর্জাতিক নৌবহর পর্যালোচনা অনুষ্ঠান 'মিলন'-এ অংশ নিতে এই অঞ্চলে এসেছিল সেই যুদ্ধজাহাজটি।

গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা চালানোর দিনই আইআরআইএস লাভান ভারতের কাছে আশ্রয় চায় (HT_PRINT)
গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা চালানোর দিনই আইআরআইএস লাভান ভারতের কাছে আশ্রয় চায় (HT_PRINT)

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ ইজরায়েল এবং আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা চালানোর দিনই আইআরআইএস লাভান ভারতের কাছে আশ্রয় চায়। এর একদিন পরে ১ মার্চ ভারতের তরফ থেকে আইআরআইএস লাভানকে ভারতের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর গত ৪ মার্চ এই রণতরীটি কোচি বন্দরে পৌঁছায়। সেদিনই আইআরআইএস ডেনা শ্রীলঙ্কার উপকূল থেকে প্রায় ১৯ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে গিয়েছিল, যার জেরে অন্তত ৮৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। সেই যুদ্ধজাহাজের উদ্ধারকাজে ভারতীয় নৌসেনাও রণতরী পাঠিয়েছিল।

এদিকে গত ৫ মার্চ আরও একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ - আইআরআইএস বুশেহরকে দেশে আশ্রয় নেওয়ার অনুমতি দেয় শ্রীলঙ্কা। সেই রণতরীতে থাকা ২০৮ জন ক্রুকে একটি নৌ শিবিরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আইআরআইএস বুশেরও ভারতের আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউতে অংশ নিয়েছিল এবং ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে শ্রীলঙ্কার একটি বন্দরে প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিল। এদিকে আইআরআইএস লাভানও যান্ত্রিক গোলযোগের কথা জানিয়েই কোচিতে নোঙর করতে চেয়েছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe