ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলেছে ২১ ঘণ্টা। তবে তারপরও তা সফল হয়নি। এই শান্তি আলোচনার মাঝেই নাকি মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ১২ বার হটলাইনে যুক্ত হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিষয়ে জেডি ভান্স জানান, ট্রাম্প শুধুমাত্র তাঁদের নির্দেশনা দিচ্ছেলেন না, তিনি আলোচনার প্রতি মিনিটের আপডেটও নিচ্ছিলেন। এদিকে ট্রাম্প ছাড়াও ভান্সের দল যুক্ত ছিল মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও, যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, এনএসএ অ্যাডমিরাল কুপার।

রিপোর্টে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হয় ইরান এবং আমেরিকার। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের দূরত্ব মেটেনি। এদিকে পাকিস্তানের ঢাল হয়ে দাঁড়ান ভান্স। তিনি বলেন, 'আলোচনায় যে ঘাটতিগুলো রয়ে গেছে, সেগুলোর জন্য পাকিস্তানিদের দায়ী করা যাবে না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সত্যিই চেষ্টা করেছে। তা সত্ত্বেও ইরানের জন্য খারাপ খবর হল, আমরা কোনও চুক্তিতে পৌঁছতে পারিনি। তাই আমরা কোনও সমঝোতা ছাড়াই ফিরে যাচ্ছি। আমরা আমাদের ‘লক্ষ্মণরেখার’ বিষয়ে ইরানকে জানিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া যায়, কোন বিষয়ে দেওয়া যায় না, সবটাই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করবে না। সহজভাবে বলতে গেলে, আমরা একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনও সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টাও করবে না, যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য এবং আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে সেটাই অর্জন করার চেষ্টা করেছি।'
এরপর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, 'তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি যেমনই থাকুক, আগে যে সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ছিল, সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু ইরানকে অঙ্গীকার করতে হবে যে তারা দীর্ঘমেয়াদেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে ইরানের সেই প্রতিশ্রুতি আমরা পাইনি এখনও। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে ইরান এই বিষয়ে অঙ্গীকার করবে। এই আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনও ক্ষেত্রেই কথা এগোয়নি। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয়, অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছি। তবে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি। প্রেসিডেন্ট আমাদের এখানে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এসে একটি চুক্তি করতে বলেছিলেন - কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনও অগ্রগতি করতে পারিনি।'
{{/usCountry}}এরপর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, 'তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি যেমনই থাকুক, আগে যে সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ছিল, সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু ইরানকে অঙ্গীকার করতে হবে যে তারা দীর্ঘমেয়াদেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে ইরানের সেই প্রতিশ্রুতি আমরা পাইনি এখনও। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে ইরান এই বিষয়ে অঙ্গীকার করবে। এই আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনও ক্ষেত্রেই কথা এগোয়নি। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয়, অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছি। তবে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি। প্রেসিডেন্ট আমাদের এখানে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এসে একটি চুক্তি করতে বলেছিলেন - কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনও অগ্রগতি করতে পারিনি।'
{{/usCountry}}