ইরানি রণতরী আইআরআইএস ডেনা নিয়ে ইজরায়েলকে তথ্য দেয় ভারত? এমনই দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিয়ো ছড়িয়েছে পাকিস্তানিরা। তাতে দাবি করা হয়েছে, সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, 'ভারতীয় জলসীমায় থাকাকালীন ইরানি রণতরী নিরাপদ ছিল, তবে আন্তর্জাতিক জলসীমায় যাওয়ার পরে ইরানের রণতরী নিয়ে ইজরায়েলকে আমাদের বলতে হত নয়া চুক্তি অনুযায়ী।' তবে পিআইবি সেই ভুয়ো ভিডিয়োর পর্দা ফাঁস করেছে। এআই দিয়ে তৈরি করা সেই ভিডিয়োর আসল সংস্করণে সেনাপ্রধান আদতে বলেছিলেন, ভারত কীভাবে অপারেশন সিঁদুর থেকে শিক্ষা নিয়েছে।
এই হামলার ঘটনা নিয়ে ভারতীয় নৌসেনা বিবৃতি করেছিল এর আগে। তাতে বলা হয়েছিল, গত ৪ মার্চ ভোরের দিকে কলম্বোতে অবস্থিত মেরিটাইম রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টারে বার্তা পাঠিয়ে সাহায্য চায় আইআরআইএস ডেনা। সেই সময় শ্রীলঙ্কার গল উপকূল থেকে ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল ইরানি রণতরী। সেই সময় ভারতীয় নৌসেনাও এই ঘটনার বিষয়ে জানতে পারে। এবং সেই সময় ৪ মার্চ সকাল ১০টা নাগাদ ভারতীয় নৌসেনা একটি প্যাট্রোল এয়ারক্রাফ্ট মোতায়েন করে। এদিকে আকাশ থেকে জলে ব়্যাফ্ট ফেলতে সক্ষম আরও একটি বিমান মোতায়েন করা হয় ভারতের তরফ থেকে। এরই সঙ্গে কাছাকাছি থাকা আইএনএস তরঙ্গিনীকে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে সাহায্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিকেল ৪টে নাগাদ আইএনএস তরঙ্গিনী সেখানে পৌঁছায়। পরে কোচি থেকে আইএনএস ইকশককে পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। ততক্ষণে শ্রীলঙ্কান নৌসেনা উদ্ধারকাজ শুরু করে দিয়েছিল।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন হামলায় ডুবেছিল ইরানি এই রণতরী। এই ঘটনায় অন্তত ৮৭ জন ইরানি নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। উল্লেখ্য, মার্কিন হামলায় ধ্বংস হওয়া ইরানি জাহাজটি সম্প্রতি ভারতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। ইরানের সেই যুদ্ধজাহাজ ভারতের আন্তর্জাতিক নৌমহড়া 'মিলন'-এ অংশ নিয়েছিল। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই মহড়া হয়েছিল বিশাখাপত্তনম বন্দরে।
ইরান দাবি করেছিল, আমেরিকা নাকি কোনও সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালায়। তবে এবার রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, একবার নয় বরং দু'বার ইরানি ক্রু সদস্যদের জাহাজ খালি করার জন্য সতর্কতা দিয়েছিল আমেরিকা। তবে ইরানি জাহাজের কমান্ডার মার্কিন সতর্কতা অগ্রাহ্য করেছিলেন। রণতরীর ক্রু সদস্যদের অনেকেই এই নিয়ে কমান্ডারের সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়েছিলেন। পরে তাঁদের মধ্যে কয়েকজন কমান্ডারের নির্দেশ অমান্য করে লাইফবোটের দিকে গিয়েছিলেন। তাঁদেরই মধ্যে ৩২ জন বেঁচে গিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
{{/usCountry}}ইরান দাবি করেছিল, আমেরিকা নাকি কোনও সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালায়। তবে এবার রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, একবার নয় বরং দু'বার ইরানি ক্রু সদস্যদের জাহাজ খালি করার জন্য সতর্কতা দিয়েছিল আমেরিকা। তবে ইরানি জাহাজের কমান্ডার মার্কিন সতর্কতা অগ্রাহ্য করেছিলেন। রণতরীর ক্রু সদস্যদের অনেকেই এই নিয়ে কমান্ডারের সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়েছিলেন। পরে তাঁদের মধ্যে কয়েকজন কমান্ডারের নির্দেশ অমান্য করে লাইফবোটের দিকে গিয়েছিলেন। তাঁদেরই মধ্যে ৩২ জন বেঁচে গিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
{{/usCountry}}