Chabahar Port: আগামী রবিবার মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভারত চাবাহার বন্দরের অপারেশনাল দায়ভার বা অংশীদারিত্ব স্থানীয় ইরানি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা করছে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে সংবাদমাধ্যম 'বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'-এর এক প্রতিবেদনে।

ইরানের চাবাহার বন্দরে ভারতের বিনিয়োগ এবং ব্যবহারের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ছাড়ের মেয়াদ আগামী ২৬ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। আর এই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়াতে কৌশলগত পদক্ষেপ করছে ভারত। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ইন্ডিয়া পোর্টস গ্লোবাল লিমিটেড (আইপিজিএল)-এর ভর্তুকিপ্রাপ্ত সংস্থা ইন্ডিয়া পোর্টস গ্লোবাল চাবাহার ফ্রি জোন (আইপিজিসিএফজেড)-এর সম্পূর্ণ অংশীদারিত্ব একটি স্থানীয় ইরানি সংস্থার কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করার পরিকল্পনা করছে। মার্কিন যুক্ততরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে তৈরি হওয়া জটিলতা এড়াতে ভারত এমন একটি বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেছে, যেখানে সাময়িকভাবে একটি ইরানি সংস্থা বন্দরের কার্যক্রম সামলাবে। এই ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হল একটি পারস্পরিক বোঝাপড়া-যদি ভবিষ্যতে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হয় বা উঠে যায়, তবে বন্দরের গোটা পরিচালনার দায়িত্ব আবার ভারতের হাতে ফিরে আসবে।
তবে এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগে পর্যন্ত বিদেশ মন্ত্রক এবং বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রকের এই বিষিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর চবাহার বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব পায় ইন্ডিয়া পোর্টস গ্লোবাল লিমিটেড-এর ভর্তুকিপ্রাপ্ত সংস্থা ইন্ডিয়া পোর্টস গ্লোবাল চাবাহার ফ্রি জোন। করোনার সময় ওই বন্দরের মাধ্যমেই মানবিক সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া হয় বিভিন্ন দেশে। চবাহার বন্দরের মাধ্যমেই ২৫ লক্ষ টন গম, ২০০০ টন ডাল আফগানিস্তানে পৌঁছে দিয়েছে ভারত। পঙ্গপালের হানা রুখতে ২০২১ সালে চবাহার বন্দরের মাধ্যমেই ইরানকে ৪০ হাজার লিটার পরিবেশ বান্ধব কীটনাশক পৌঁছে দেয় ভারত। তবে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রশাসন সেক্রেটারি অফ স্টেট-কে নির্দেশ দেয়, ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্প-সহ অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানকারী সমস্ত ছাড় পর্যালোচনা বা প্রত্যাহার করতে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ২০১৮ সালে চাবাহার প্রকল্পের জন্য ভারতকে দেওয়া ছাড়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করে, যা ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়।
ভারত সরকার এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে, মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ একটি চিঠি ইস্যু করে, যার মাধ্যমে চাবাহার বন্দরে ভারতের কার্যক্রম ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত (ছাড়) রাখা হয়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ভারত ইরানের চাবাহার বন্দরের শহিদ বেহেশতি টার্মিনাল উন্নয়নের জন্য প্রায় ১২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই বন্দরটি আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা ও জরুরি সরবরাহ পৌঁছে দিতেও ব্যবহৃত হয়েছে। ২০২৪ সালে ভারত ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১০ বছরের চুক্তি অনুযায়ী, ভারত এই বন্দরে ৩৭০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চাবাহারের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় পর ভারতের আফগানিস্তান, ইরান হয়ে রাশিয়া পর্যন্ত জলপথ পরিবহণে আধিপত্য কায়েম করতে সুবিধা হয়। পাকিস্তানকে পাশ কাটিয়ে আফগানিস্তান এবং পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছতে বিকল্প রাস্তা হিসেবে কাজে লাগানো যায়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ছাড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ভারত সরকার এই প্রকল্পে নিজেদের সম্পৃক্ততা ও ঝুঁকির বিষয়টি অভ্যন্তরীণভাবে পর্যালোচনা করেছে।
{{/usCountry}}ভারত সরকার এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে, মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ একটি চিঠি ইস্যু করে, যার মাধ্যমে চাবাহার বন্দরে ভারতের কার্যক্রম ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত (ছাড়) রাখা হয়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ভারত ইরানের চাবাহার বন্দরের শহিদ বেহেশতি টার্মিনাল উন্নয়নের জন্য প্রায় ১২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই বন্দরটি আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা ও জরুরি সরবরাহ পৌঁছে দিতেও ব্যবহৃত হয়েছে। ২০২৪ সালে ভারত ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১০ বছরের চুক্তি অনুযায়ী, ভারত এই বন্দরে ৩৭০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চাবাহারের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় পর ভারতের আফগানিস্তান, ইরান হয়ে রাশিয়া পর্যন্ত জলপথ পরিবহণে আধিপত্য কায়েম করতে সুবিধা হয়। পাকিস্তানকে পাশ কাটিয়ে আফগানিস্তান এবং পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছতে বিকল্প রাস্তা হিসেবে কাজে লাগানো যায়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ছাড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ভারত সরকার এই প্রকল্পে নিজেদের সম্পৃক্ততা ও ঝুঁকির বিষয়টি অভ্যন্তরীণভাবে পর্যালোচনা করেছে।
{{/usCountry}}