...
...
Next Story

Flydubai flight incident: বিদেশি ফ্লাইট যাচাইয়ে গাফিলতি? ফ্লাইদুবাই কাণ্ডের পর মুখ খুলল ইজরায়েল

Flydubai flight incident: ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে মাঝ আকাশে যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল, সেটিকে সরকারি ভাবে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলা’ বলে চিহ্নিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

Published on: Oct 4, 2026, 22:48:07 IST
Advertisement

Flydubai flight incident: বিদেশি এয়ারলাইন্সের ইজরায়েলগামী বিমানে নিরাপত্তা যাচাইয়ের দায়িত্ব পালনে সে দেশের পরিবহণ মন্ত্রক বছরের পর বছর ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভ্যন্তরীণ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এনএসসি) নথি উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানিয়েছে আর্মি রেডিও। এই আবহে ক্রমবর্ধমান প্রশ্নের মুখে ইজরায়েলের পরিবহণ মন্ত্রক জানিয়েছে যে তারা দেশে প্রবেশকারী বিদেশি বিমান চালকদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক বা অতীত ইতিহাস যাচাই করে না এবং এই ধরনের বিমানগুলো যে '১০০ শতাংশ' নিরাপদ, সে বিষয়েও কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারে না।

বিদেশি ফ্লাইট যাচাইয়ে গাফিলতি? ফ্লাইদুবাই কাণ্ডের পর মুখ খুলল ইজরায়েল (TPS-IL)
বিদেশি ফ্লাইট যাচাইয়ে গাফিলতি? ফ্লাইদুবাই কাণ্ডের পর মুখ খুলল ইজরায়েল (TPS-IL)

ইজরায়েলি দৈনিক ‘ওয়াইনেট’ (Ynet)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবহণ বিভাগের এক প্রতিনিধি এক বিবৃতিতে বলেন, 'আমরা কোনও গোয়েন্দা সংস্থা নই যে বিদেশিদের গোপন তথ্য খতিয়ে দেখব। বিদেশে আমাদের কোনও বাহিনী মোতায়েন নেই। সেখানে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর নজরদারি করার মতো কোনও কর্মীও আমাদের নেই।' ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে কমান্ডিং ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে আক্রমণকারী ওমানি কো-পাইলট পূর্বে ওমান এয়ারে বিমান চালাতেন; তবে কট্টরপন্থী মনোভাবের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁকে সেখান থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তিনি ককপিটে সাধারণত রাখা জরুরি সরঞ্জাম ‘ক্র্যাশ এক্স’ (কুঠার) দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ওপর চড়াও হয়েছিলেন।

ইজরায়েলের পরিবহণ মন্ত্রক জানিয়েছে, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলো থেকে কতজন পাইলট বিমান চালিয়ে এযাবৎ ইজরায়েলে এসেছেন তা তাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয় এবং বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট যে সম্পূর্ণ নিরাপদ, সেই নিশ্চয়তাও তারা দিতে পারবে না। তারা আরও স্পষ্ট করে যে, পাইলটদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোর ওপরই বর্তায়। গত বুধবার দুবাই থেকে তেল আভিভ যাওয়ার পথে মাঝ আকাশে ঘটনাটি ঘটে। ১৭৪ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ওড়ার সময় আচমকা বিপদ সংকেত পাঠায় এবং ৩৪,০০০ ফুট উচ্চতা থেকে এক ধাক্কায় ১৭,০০০ ফুটেরও বেশি নিচে নেমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যে এই পরিস্থিতির পরও বিমানটি কীভাবে সলিল সমাধি হওয়া বা ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা পেল। চরম সংকটের মুখে বিমানটিকে শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks