অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, আদতে ইজরায়েলই নাকি ইরান যুদ্ধে আমেরিকাকে টেনে নিয়ে এসেছে। তবে এই গুঞ্জনকে পুরোপুরি খারিজ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, 'আমেরিকাকে ইজরায়েল এই যুদ্ধে টেনে আনেনি। ট্রাম্পকে কি কেউ কিছু করার জন্য বলতে পারে?' নেতানিয়াহুর দাবি, আমেরিকা স্বেচ্ছায় ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। এরই সঙ্গে নেতনিয়াহুর বক্তব্য, ইজরায়েল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা পালটে দেবে। আজ ইজরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা পালটে দিয়েছে।

এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, 'আমরা জিতছি এবং ইরান ধুলোয় মিশে যাচ্ছে। আমরা এখন ইরানের সেই সব কারখানা ধ্বংস করছি যেখানে তারা মিসাইলের যন্ত্রাংশ তৈরি করত। যে পরমাণু অস্ত্র তৈরির তারা চেষ্টা করছে, তার যন্ত্রাংশও এই সব কারখানায় তৈরি করে ইরান।' এরই সঙ্গে নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরানের মিসাইল ভাণ্ডার অনেকটা কমে গিয়েছে। এরি সঙ্গে তিনি বলেন, ইরান নাকি ইউরেনিয়াম এনরিচ করার সক্ষমতা হারিয়েছে। যদিও এই সব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নেতনিয়াহু কোনও প্রমাণ পেশ করেননি।
উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে ইরান। সম্প্রতি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাস প্লান্টে হামলা চালায় তারা। কাতারের রাস লাফানে অবস্থিত এই গ্যাস প্লান্টে হামলার ঘটনায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়ে গিয়েছে। এর আগে সম্প্রতি ইরানের 'পারস গ্যাস ক্ষেত্রে' ইজরায়েল হামলা চালিয়েছিল। এরই প্রতিশোধ নিতে কাতারে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এই হামলার জেরে কাতারের সেই প্লান্টের গ্যাস উৎপাদন ক্ষমতা কমে গিয়েছে ১৭ শতাংশ। এই ক্ষয়ক্ষতি মেরামতি করতেই নাকি ৫ বছর লেগে যাবে। এরই সঙ্গে কতারের কাতারের মেসাইদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স সৌদি আরবের জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাস ক্ষেত্রে উড়ে যায় ইরানি মিসাইল।
এদিকে ইরানের এই হামলায় কার্যত হতভম্ব হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারস গ্যাস ক্ষেত্রে যে ইজরায়েল হামলা চালাবে, তা তাঁর জানা ছিল না। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন, 'এরপর ইজরায়েল আর কোনও হামলা করবে না'। এরই সঙ্গে ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেন, কাতারের এলএনজি স্থাপনায় আবার হামলা হলে ইরানের পুরো গ্যাসক্ষেত্র উড়িয়ে দেবে আমেরিকা। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, আমেরিকা স্বেচ্ছায় এই যুদ্ধে নেমেছে। ইজরায়েল তাদের কোনও ভাবে 'টেনে' নিয়ে আসেনি।
{{/usCountry}}এদিকে ইরানের এই হামলায় কার্যত হতভম্ব হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারস গ্যাস ক্ষেত্রে যে ইজরায়েল হামলা চালাবে, তা তাঁর জানা ছিল না। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন, 'এরপর ইজরায়েল আর কোনও হামলা করবে না'। এরই সঙ্গে ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেন, কাতারের এলএনজি স্থাপনায় আবার হামলা হলে ইরানের পুরো গ্যাসক্ষেত্র উড়িয়ে দেবে আমেরিকা। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, আমেরিকা স্বেচ্ছায় এই যুদ্ধে নেমেছে। ইজরায়েল তাদের কোনও ভাবে 'টেনে' নিয়ে আসেনি।
{{/usCountry}}