ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথপকথনের সময় আহত পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত বলেন, ‘আমি আহত হয়েছিলাম। কিন্তু যাত্রীদের মরতে দিতে পারিনা।’ ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সেদিন দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানের শতাধিক যাত্রীকে প্রাণে রক্ষার নেপথ্যে ছিলেন ভারতের লড়াকু পাইলট স্মিত। কঠিন সময়ে স্মিত হনুমান চালিসা পাঠের কথাও এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জানান। এদিকে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন স্মিতকে, অন্যদিকে, ভারতে অবস্থিত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার বলছেন, স্মিত হচ্ছেন ‘হিরো’। স্মিতকে ইজরায়েল যোগ্য সম্মান জানাবে বলেও বার্তা দিয়েছেন ইজরায়েলের এই দূত।
সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আজার বলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, সংসদের স্পিকার এবং ইসরায়েলের জনগণ ক্যাপ্টেন স্মিটের কাছে কৃতজ্ঞ। আজার বলছেন, ক্যাপ্টেন স্মিত ছুরির আঘাত সত্ত্বেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এর ফলে যাত্রীরা ককপিটে প্রবেশ করতে পারেন এবং আরও প্রাণহানি রোধ করা সম্ভব হয়। ভারতে অবস্থিত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ক্যাপ্টেন স্মিত তাঁর স্থিরতা, দৃঢ়সংকল্প এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করা সম্ভব।’ তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘ইজরায়েল ক্যাপ্টেন স্মিটকে সম্মানিত করবে।’
ভারতে অবস্থিত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত এদিন বলেন, ‘যাঁরা ইজরায়েলকে সাহায্য করে, ইজরায়েল তাঁদের কখনও ভোলে না। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে, ক্যাপ্টেন স্মিত ইজরায়েলে সম্মানিত ও স্বীকৃত হবেন । এ ব্যাপারে আমার কোনও সন্দেহ নেই।’ উল্লেখ্য, ফ্লাইদুবাই কাণ্ডকে ঘিরে সন্ত্রাসী হামলার সন্দেহ থেকে সরছে না ইজরায়েল। আজার বলেছেন, ৭ অক্টোবরের বার্ষিকীর ঠিক আগে ঘটনাটি ঘটেছে এবং এটিকে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের বুকে হামলা চালায় হামাস। যার পাল্টা হিসাবে গাজা ঘিরে রক্তাক্ত যুদ্ধে নামে ইজরায়েল।