...
...
Next Story

দেশের নিজস্ব ন্যাভিগেশন শক্তিকে জোরালো করতে NVS-03র সফল উৎক্ষেপণ ISROর, মিলবে কী কী সুবিধা?

‘নেভিগেশন উইথ ইন্ডিয়া কনস্টেলেশন’ বা নেভিক। সেই নেভিককেই আরও জোরদার করতে এই নয়া উৎক্ষেপণ বেশ তাৎপর্যবাহী।

Published on: Oct 31, 2026, 08:00:55 IST
Advertisement

GSLV-F18 রকেট পরবর্তী প্রজন্মের স্যাটেলাইট NVS-03কে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র ইসরো। আর এর সঙ্গেই দেশ তার নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম-কে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের রয়েছে নিজস্ব মহাকাশভিত্তিক দিকনির্ণয়কারী ব্যবস্থা। নাম, ‘নেভিগেশন উইথ ইন্ডিয়া কনস্টেলেশন’ বা নেভিক। সেই নেভিককেই আরও জোরদার করতে এই নয়া উৎক্ষেপণ বেশ তাৎপর্যবাহী। এই স্যাটেলাইটের দ্বারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুবিধার পাশাপাশি, ভারতের সেনাও পেতে চলেছে কিছু সুবিধা।

দেশের নিজস্ব ন্যাভিগেশন শক্তিকে জোরালো করলে NVS-03র সফল উৎক্ষেপণ ISROর. (@isro X/ANI Photo) (@isro X)
দেশের নিজস্ব ন্যাভিগেশন শক্তিকে জোরালো করলে NVS-03র সফল উৎক্ষেপণ ISROর. (@isro X/ANI Photo) (@isro X)

দেশি জিপিএস সিস্টেম বা নেভিকের সহায়তায় শত্রুঘাঁটিতে নিখুঁত নিশানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে থাকে এ দেশের ফৌজ। বুঝে নেয় তাদের অবস্থান। আমেরিকান জিপিএস বা দেশি গ্লোনাস জিপিএস-র মতোই এই নেভিক কাজ করে থাকে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র রিপোর্ট বলছে, ভারতের এই নেভিগেশন সিস্টেমকে চালু রাখতে ৪টি স্যাটেলাইটের প্রয়োজন, সেখানে ৩ টি স্যাটেলাইলট কার্যকর ছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে NVS-02 উপগ্রহ লঞ্চ করেছিল ইসরো। GSLV-F15 রকেটের সাহায্যে উপগ্রহটিকে নির্দিষ্ট ট্রান্সফার কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটিকে নির্দিষ্ট কার্যকরী কক্ষপথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে NVS-03 সফলভাবে উৎক্ষেপণ হয়েছে শুক্রবারের রাত ১১ টা ৫১ মিনিটে।

মহাকাশভিত্তিক দিক নির্ণয়কারী ব্যবস্থা বা নেভিকের প্রয়োজন ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের সময় থেকে অনুভূত হয়। সেই সময় পাকিস্তানের আক্রমণকারী সেনার ঘাঁটি খুঁজে নিখুঁতভাবে তাতে হামলা চালাতে ভারতের বায়ুসেনার প্রয়োজন ছিল মার্কিন জিপিএস। সেই থেকেই দেশীয় জিপিএস তৈরির উদ্যোগ শুরু হয়। বর্তমানে ভারতে তৈরি এই নেভিক ব্যবস্থা, এদেশের মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি সীমান্তের বাইরে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় অবস্থান এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য দিতে পারে। তবে , বিশ্বের যে কোনও জায়গা খুঁজে দেয় মার্কিন জিপিএস বা রাশিয়ার গ্লোনাস। ফলত, এর দ্বারা, সড়কপথে যাতায়াত, সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল, প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা, কৃষিকাজ এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কাজে NavIC ব্যবহার করা যায়। মনে করা হচ্ছে, ইসরোর এই সফল উৎক্ষেপণের জেরে বিদেশি জিপিএস সিস্টেমের ওপর নির্ভরতা কমানো যাবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks