Delhi Blast Investigation: ড. মুজাফ্ফর কে? রয়েছে তুরস্ক, দুবাই যোগ! ইন্টারপোলের দ্বারস্থ জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ
ড. মুজাফ্ফার কে? উঠছে বিস্ফোরক তথ্য।
দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে তদন্তে নেমে একের পর এক ছিন্ন তার জুড়ছে তদন্তকারী দল। ফরিদাবাদে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধারের সন্ধ্যাতেই সোমবার হয়েছে দিল্লিতে বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণে ড. উমার নবির মৃত্যু হয়। তার আগে বিস্ফোরক উদ্ধার ঘিরে ড. মুজাম্মিল থেকে, শুরু করে মহিলা ড. শাহিন সইদ পর্যন্ত একের পর এক ডাক্তার পুলিশের জালে ধরা পড়ে, এদের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ধৃতদের সঙ্গে কাশ্মীর যোগের সূত্রও মিলেছে। চলছে জোরদার জেরা ও তদন্ত।

ডাক্তারদের জঙ্গি মডিউল ইতিমধ্যেই ‘হোয়াইট কলার টেরর মডিউল’ হিসাবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ধৃত সন্দেহভাদন জঙ্গি ডাক্তারদের জেরার মাঝেই উঠে এসেছে ড. মুজাফ্ফরের নাম। একে খুঁজতেই রেড কর্নার নোটিস ইস্যুর জন্য ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ। কে এই মুজাফ্ফর?
কে ড. মুজাফ্ফর?
ড. মুজাফ্ফর হল, আদিল আহমেদ রাদারের ভাই। এই আদিলকে বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে সদ্য যে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আদিল তাদের অন্যতম। জেরায় বহু জনের থেকেই এই ড. মুজাফ্ফরের নাম উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, এই ৮ জনের মধ্যে ৭ জনের সঙ্গেই কাশ্মীরের যোগ রয়েছে। এদিকে, কাশ্মীরের কাজিগন্দের এককালের বাসিন্দা এই ড. মুজাফ্ফর রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের নজরে। জেরা থেকে উঠে আসছে, ২০২১ সালে সন্ত্রাসে জড়িত যে ডাক্তাররা তুরস্কে গিয়েছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম এই ড. মুজাফ্ফর। ধৃত ড. মুজাম্মিল ও দিল্লি ব্লাস্টে অভিযুক্ত ড. উমরের সঙ্গে সেবার তুরস্কে গিয়েছিল এই ড. মুজাফ্ফর। বেশ কিছু রিপোর্ট জাবি করছে, সেখানে পাকিস্তানের এক আইএসআই হ্যান্ডেলারের সঙ্গে দেখা করে তারা।
এখন মুজাফ্ফর কোথায়?
দিল্লি বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধারের পর তদন্তে ড. মুজাফ্ফরের নাম উঠতেই পুলিশ তার খোঁজ শুরু করে। জানতে পারে এই মুজাফ্ফর এখন দেশেই নেই। সে অগস্ট মাসে দুবাইয়ের উদ্দেশে ভারত ছাড়ে। বর্তমানে এই মুজাফ্ফর আফগানিস্তানে রয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে এই ৩ ডাক্তারই তুরস্কে ২১ দিনের জন্য ছিল।
তুরস্ক কী বলছে?
বুধবার তুরস্কের ‘ডিরেক্টরেট অব কমিউনিকেশনস সেন্টার ফর কাউন্টারিং ডিসইনফরমেশন’ একটি বিবৃতি জারি করে তাদের ভূখণ্ড মৌলবাদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এমন খবর অস্বীকার করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তুরস্ক ভারতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে লজিস্টিক, কূটনৈতিক এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে চলেছে বলে দাবি করা মিডিয়া রিপোর্টগুলি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষতি করার লক্ষ্যে একটি বিদ্বেষপূর্ণ ভুল তথ্য প্রচারের অংশ। এতে বলা হয়েছে, তুরস্ক, ভারত বা অন্য কোনও দেশকে টার্গেট করে ’মৌলবাদী কার্যক্রমে' জড়িত রয়েছে এমন দাবিটি ‘সম্পূর্ণরূপে বিভ্রান্তিকর' বলেছে এবং তাকে তার 'কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই’, বলে দাবি করা হয়েছে।
E-Paper

