' কখনও অদ্ভুত ব্যবহার করত ', বলছেন ড. শাহিনের সহকর্মী, মেয়েকে নিয়ে মুখ খুললেন বাবাও! ফরিদাবাদ কেসে এল নয়া তথ্য
শাহিনার বাবা বলছেন,' আমার তিন ছেলেমেয়েদের মধ্যে শাহিন দ্বিতীয় সন্তান।'
ফরিদাবাদে সোমবার ২৯০০কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে নাম উঠে আসে চিকিৎসক শাহিন শাহিদের। ঘটনা ঘিরে একাধিক চিকিৎসক ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তর প্রদেশের নিবাসী শাহিন, মূলত পাকিস্তানের জইশ-এ-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর মহিলা উইং-র সদস্য। যে উইং চালায় খোদ জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার। এই কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য শাহিনের আপাতত বন্দি। তার বিরুদ্ধে জঙ্গিদের ফান্ড যোগানের অভিযোগও রয়েছে। এদিকে, যে আলফালা বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহিনের ছিল কর্মরত, সেখানের এক সহকর্মী তার সম্পর্কে মুখ খুলেছেন। মুখ খুলেছেন শাহিনের বাবাও।

হরিয়ানার আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয় দিল্লি থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দিল্লিতে সোমবারের বিস্ফোরণের পর মঙ্গলের সকালে আলফালা বিশ্ববিদ্যালয়ে জোরদার তল্লাশি চলেছে। একাধিক জনের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ। আটকও হয়েছে একাধিক। এদিকে, শাহিন সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার এক সহকর্মী এক মিডিয়া চ্যানেলকে জানান,' কোনও নিয়মই মানত না শাহিন। কাউকে না জানিয়ে কখনও কখনও ছুটিতে চলে যেত।' আরও এক বড় তথ্য দিয়েছেন তিনি। শাহিনের সহকর্মী বলছেন,'ওর সঙ্গে অনেকেই দেখা করতে আসতেন কলেজে। ও কখনও কখনও অদ্ভূত ব্যবহার করত। ওর বিরুদ্ধে ম্যানেজমেন্টে অভিযোগও দায়ের হয়।' প্রশ্ন যায়, শাহিনকে নিয়ে কি কখনও সন্দেহ হয়েছে সন্ত্রাস যোগ ঘিরে? শাহিনের সহকর্মী বলছেন,'ওই দিক দিয়ে কখনওই সন্দেহ হয়নি।'
( কলকাতায় শুভমনরা, সামনেই SA ম্যাচ! দিল্লি ব্লাস্টের পর দুই দলের নিরাপত্তা নিয়ে এল কোন আপডেট?)
এদিকে, উত্তর প্রদেশের লখনউতে শাহিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখানে শাহিনের বাবাকে নানান প্রশ্ন করেন মিডিয়া কর্মীরা। শাহিনের বাবা বলছেন,' আমার তিন ছেলেমেয়েদের মধ্যে শাহিন দ্বিতীয় সন্তান।' শাহিনের বাবা বলছেন, ‘আপনারা যা (শাহিনার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ) বলছেন, তা আমি বিশ্বাসস করতে পারছিনা।’ তিনি জানান, শাহিন এলাহাবাদ থেকে এমবিবিএস ও এমডি করেছেন। তিনি জানান দেড় বছর আগে শাহিনকে দেখেছেন তিনি। আর মেয়ে শাহিনের সঙ্গে কথা হয়েছে এক মাস আগে। তিনি জানান বড় ছেলে তাঁর সঙ্গেই থাকেন। আর ছোট ছেলে দূরে থাকেন। ছোট ছেলের সঙ্গে প্রতি সপ্তাহে কথা হয়। এদিকে, শাহিনের সঙ্গে নাম জুড়েছে বিস্ফোরক উদ্ধার মামলায় ধৃত চিকিৎসক মুজাম্মিলের। মুজাম্মিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায়, শাহিনের বাবা জানান, তিনি এই নাম কখনওই শাহিনের থেকে শোনেননি।
E-Paper

