Kashmir LeT Terrorist Update: জম্মু-কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলায় দুই লস্কর-ই-তইবা (এলইটি) জঙ্গিকে ঘিরে বড়সড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। শুক্রবার একটি ফলের বাগানে দুই জঙ্গির উপস্থিতির খবর পাওয়ার পরই যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করে। এখনও পর্যন্ত অভিযান চলছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। সূত্রের খবর, অভিযানে ভারতীয় সেনার পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ) অংশ নিয়েছে। শোপিয়ানের ওই এলাকায় মোট সাতটি গ্রাম রয়েছে। অভিযান শুরুর পর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে একে একে চারটি গ্রামে তল্লাশি চালানো হয়। সন্ধ্যার মধ্যেই ওই গ্রামগুলি নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ফলের বাগানেই লুকিয়ে রয়েছে দুই জঙ্গি। তাদের পরিচয় লতিফ ও জাকির বলে নিশ্চিত করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। দু'জনেই কুলগাম জেলার বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, জাকির ২০২৪ সালে এবং লতিফ ২০২৫ সালে লস্কর-ই-তইবায় যোগ দেয়। নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দিলেও তারা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপরই শুরু হয় তুমুল গুলির লড়াই। পাল্টা জবাব দেয় সেনা ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গিরা যাতে কোনওভাবেই পালাতে না পারে, তার জন্য বাগান ঘিরে সব সম্ভাব্য পালানোর পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
শোপিয়ান দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ কাশ্মীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চল দক্ষিণ কাশ্মীরকে মধ্য কাশ্মীর এবং পির পাঞ্জাল পর্বতমালার সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে ঘন গাছপালা ও ফলের বাগান জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার সুযোগ করে দেয়। অতীতে বহুবার এই প্রাকৃতিক আড়াল ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাহিনীর ঘেরাও এড়িয়ে পালিয়েছে জঙ্গিরা। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বাহিনী।
নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান-সমর্থিত বিদেশি জঙ্গিদের দিয়ে হামলার প্রবণতা বাড়লেও স্থানীয় জঙ্গিদের সক্রিয়তাও বড় উদ্বেগের বিষয়। লতিফ ও জাকিরের মতো স্থানীয় সদস্যদের নিষ্ক্রিয় করতে পারলে জঙ্গি সংগঠনগুলির রসদ জোগানোর নেটওয়ার্ক দুর্বল হবে এবং নতুন করে স্থানীয় যুবকদের জঙ্গি দলে টানার চেষ্টাতেও ধাক্কা লাগবে বলে মনে করছেন তাঁরা। অভিযান এখনও শেষ হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে রেখে সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি চালাচ্ছে। দুই জঙ্গিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরাই এখন বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসনও। অভিযানের স্বার্থে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রাখা হয়েছে।
{{/usCountry}}নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান-সমর্থিত বিদেশি জঙ্গিদের দিয়ে হামলার প্রবণতা বাড়লেও স্থানীয় জঙ্গিদের সক্রিয়তাও বড় উদ্বেগের বিষয়। লতিফ ও জাকিরের মতো স্থানীয় সদস্যদের নিষ্ক্রিয় করতে পারলে জঙ্গি সংগঠনগুলির রসদ জোগানোর নেটওয়ার্ক দুর্বল হবে এবং নতুন করে স্থানীয় যুবকদের জঙ্গি দলে টানার চেষ্টাতেও ধাক্কা লাগবে বলে মনে করছেন তাঁরা। অভিযান এখনও শেষ হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে রেখে সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি চালাচ্ছে। দুই জঙ্গিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরাই এখন বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসনও। অভিযানের স্বার্থে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রাখা হয়েছে।
{{/usCountry}}