...
...
Next Story

Tejas Mk-2 Programme: 'কার্যকারিতা বিচারে...,' উর্দি ছাড়তেই তেজস এমকে-২-এর তীব্র সমালোচনা প্রাক্তন ভাইস-চিফের

Tejas Mk-2 Programme: বর্তমানে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম স্টেলথ ও সেন্সর ফিউশন প্রযুক্তির পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ বা চিনের জে-২০ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য দেখাচ্ছে। চিন ইতিমধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫০০টি জে-২০ যুদ্ধবিমান বাহিনীতে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

Published on: Aug 22, 2026, 17:32:29 IST
Advertisement

Tejas Mk-2 Programme: দেশের উচ্চাভিলাষী 'তেজস এমকে-২' যুদ্ধবিমান প্রকল্পের তীব্র সমালোচনা করলেন ভারতীয় বায়ুসেনার সদ্য প্রাক্তন ভাইস-চিফ এয়ার মার্শাল নাগেশ কাপুর (Nagesh Kapoor) । তাঁর মতে, আগামী ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন এই যুদ্ধবিমান বিপুল সংখ্যায় বায়ুসেনায় যুক্ত হতে শুরু করবে, তখন যুদ্ধক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা বা প্রাসঙ্গিকতা অনেকটাই তলানিতে ঠেকে যেতে পারে।

উর্দি ছাড়তেই তেজস এমকে-২-এর তীব্র সমালোচনা প্রাক্তন ভাইস-চিফের (AP Photo/Fatima Shbair)
উর্দি ছাড়তেই তেজস এমকে-২-এর তীব্র সমালোচনা প্রাক্তন ভাইস-চিফের (AP Photo/Fatima Shbair)

অবসর গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মাথায় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে এক সাক্ষাৎকারে এই ভয়াবহ ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন এয়ার মার্শাল নাগেশ কাপুর। যখন চিন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের দিকে এগোচ্ছে এবং পাকিস্তান পঞ্চম প্রজন্মের বিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে, তখন ২০৩৫ সালে ভারতের মতো একটি দেশের কাছে চতুর্থ প্রজন্মের বিমান থাকা কতটা যুক্তিযুক্ত-এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রাক্তন ভাইস-চিফ সরাসরি বলেন, 'কার্যকারিতার বিচারে, এটি একেবারেই কোনও কাজের কথা নয়।'

বর্তমানে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম স্টেলথ ও সেন্সর ফিউশন প্রযুক্তির পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ বা চিনের জে-২০ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য দেখাচ্ছে। চিন ইতিমধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫০০টি জে-২০ যুদ্ধবিমান বাহিনীতে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ‘সেন্সর ফিউশন’ হলো এমন এক প্রযুক্তি যা বিমানের রাডার, ইনফ্রারেড ক্যামেরা ও অন্যান্য সেন্সরের ভিন্ন ভিন্ন তথ্যকে কম্পিউটারের মাধ্যমে একত্রিত করে ককপিটে পাইলটের সামনে শত্রুর অবস্থান ও আক্রমণের জন্য একটামাত্র নিখুঁত ডিজিটাল ছবি তুলে ধরে। এর পাশাপাশি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন সংযোগভিত্তিক ষষ্ঠ প্রজন্মের 'জে-৩৬' ও 'জে-৫০' প্রযুক্তিতে গতি এনেছে বেজিং। এই আবহে এয়ার মার্শাল মনে করেন, তেজস এমকে-২-এর মতো চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যুদ্ধক্ষেত্রে একদম সামনের সারিতে না পারলেও দেশের সুবিশাল সীমানা রক্ষায় ফাঁকফোকর মেটাতে সীমিত আকারে ব্যবহৃত হতে পারে।

দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে এখন আর ধাপে ধাপে এগোনার সুযোগ নেই বলে মনে করেন এয়ার মার্শাল নাগেশ কাপুর। তাঁর মতে, ভারতের উচিত চতুর্থ বা ৪.৫ প্রজন্মের পেছনে অযথা সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয় না করে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া। ফ্রান্স, জার্মানি ও স্পেনের যৌথ ষষ্ঠ প্রজন্মের 'এফসিএএস' কিংবা ব্রিটেন, ইতালি ও জাপানের 'জিসিএপি' প্রকল্পের মতো শক্তিশালী ইউরোপীয় কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ভারতের হাত মেলানো উচিত, যাতে সরাসরি ষষ্ঠ প্রজন্মের অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে প্রবেশের পথ সুগম হয়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks