...
...
Next Story

Kamikaze Drone by IAF: দেশীয় প্রযুক্তিতে দূরপাল্লার কামিকাজে ড্রোন তৈরি করবে ভারতীয় বায়ুসেনা

দূরপাল্লার দেশীয় কামিকাজে ড্রোন তৈরির একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। এই প্রকল্পে দেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থা ও বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বায়ুসেনা। লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত মানের ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ বা কামিকাজে ড্রোন তৈরি করা।

Published on: Jun 19, 2026, 09:26:04 IST
Advertisement

Kamikaze Drone by IAF: ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখে দূরপাল্লার দেশীয় কামিকাজে ড্রোন তৈরির একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। এই প্রকল্পে দেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থা ও বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বায়ুসেনা। লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত মানের ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ বা কামিকাজে ড্রোন তৈরি করা।

দূরপাল্লার দেশীয় কামিকাজে ড্রোন তৈরির একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)।
দূরপাল্লার দেশীয় কামিকাজে ড্রোন তৈরির একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)।

কামিকাজে ড্রোন এমন এক ধরনের ড্রোন, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর উপর সরাসরি আঘাত হেনে নিজেও ধ্বংস হয়ে যায়। এগুলিকে ‘লোইটারিং মিউনিশন’ নামেও পরিচিত। লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান শনাক্ত করে দীর্ঘ সময় আকাশে ঘোরাফেরা করার পর সঠিক মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে এই ধরনের ড্রোন। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এগুলিকে অত্যন্ত কার্যকর অস্ত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বায়ুসেনার নতুন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল ড্রোনভিত্তিক যুদ্ধের জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নেওয়া। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতে কামিকাজে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার দেখা গিয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, রাডার, অস্ত্রভাণ্ডার বা যানবাহনের উপর নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম হওয়ায় এই প্রযুক্তির গুরুত্ব অনেক বেড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বায়ুসেনা চায় এই ড্রোনগুলি সম্পূর্ণভাবে ভারতের মাটিতেই নকশা, উন্নয়ন ও উৎপাদন করা হোক। প্রকল্পের নোডাল সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে তামিলনাড়ুর সুলুরে অবস্থিত বায়ুসেনার ৫ বেস রিপেয়ার ডিপো। ইতিমধ্যেই ভারতীয় সংস্থাগুলিকে এই প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু বায়ুসেনার যুদ্ধক্ষমতা বাড়াবে না, বরং ভারতের ড্রোন প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যকেও আরও শক্তিশালী করবে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর আওতায় দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের জন্য ভারত যে দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই প্রকল্প তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe