...
...
Next Story

Father murders twin daughters: রক্তে ভাসছে ঘর, নিথর অবস্থায় পড়ে যমজ মেয়ের দেহ! নৃশংস হত্যাকাণ্ডে হুলুস্থূল কানপুর

Father murders twin daughters: রবিবার ভোররাতে নিজের এগারো বছরের যমজ দুই মেয়েকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল বাবা বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়। নিজেই সে মেয়েদের হত্যার খবর ফোন করে পুলিশ জানায়।

Published on: Apr 20, 2026, 11:34:21 IST
Advertisement

Father murders twin daughters: রক্তে ভেসে গিয়েছে মেঝে। নিথর অবস্থায় পড়ে গলা কাটা ১১ বছরের যমজ মেয়ের দেহ। একটু দূরেই নির্লিপ্তভাবে বসে বাবা। পাশে রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র। রবিবার ভোররাতে এমনই হাড়হিম ঘটনার সাক্ষী থাকল যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশের কানপুর।

নৃশংস হত্যাকাণ্ডে হুলুস্থূল কানপুর (সৌজন্যে টুইটার)
নৃশংস হত্যাকাণ্ডে হুলুস্থূল কানপুর (সৌজন্যে টুইটার)

রবিবার ভোররাতে নিজের এগারো বছরের যমজ দুই মেয়েকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল বাবা বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়। নিজেই সে মেয়েদের হত্যার খবর ফোন করে পুলিশ জানায়। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত শশীরঞ্জন মিশ্রকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত শশী রঞ্জন মিশ্র, পেশায় একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ। বিহারের বাসিন্দা শশী, তাঁর স্ত্রী রেশমা, যমজ দুই মেয়ে (ঋদ্ধি ও সিদ্ধি) এবং ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে কানপুরে একটি ফ্ল্যাটে থাকেন। কানপুর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দীপেন্দ্র নাথ চৌধুরী এইচটি-কে জানান, 'আমরা ভোর সাড়ে ৪টের নাগাদ অভিযুক্তের কাছ থেকেই ১১২ নম্বরে একটি ফোন পাই।' তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। তিনি আরও জানান, নিহতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

এদিকে রেশমা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে রাতের খাবার খাওয়ার পর শশী মেয়েদের নিয়ে ঘুমাতে যায়। তিনি বলেন, রাত আড়াইটে নাগাদ শশী মেয়েদের একজনকে নিয়ে বাথরুমে যায়। সেখান থেকে ফিরে আসার পর দু'জনে ঘরে ঢোকেন এবং ঘরের আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। এর ঠিক দুই ঘণ্টা পর, শশী পুলিশের জরুরি সহায়তা নম্বরে ফোন করে জানান যে তিনি তার মেয়েদের খুন করেছেন। ততক্ষণে বাকিরাও হাজির হয়েছেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেখতে পায়, যমজ দুই মেয়েরই গলা কাটা। ঘরের মধ্যে রক্ত-বন্যায় বইছে। সেই সময় শশীও ফ্ল্যাটের ভেতরেই উপস্থিত ছিল।

'এখনই মৃত্যুদণ্ড চাই'

স্ত্রী রেশমার কথায়, ‘অদ্ভুত আচরণ করতেন তিনি। অবসাদে ভুগতে শুরু করেছিলেন। প্রায়শই আমাকে বলতেন, ছেলেকে নিয়ে অন্য কোথাও থাকো। আমি একাই মেয়েদের লালন-পালন করব। আমাকে মেয়েদের সঙ্গে মিশতে দিতেন না। এমনকী ওদের ঘরেও ঢুকতে দিতেন না।’ সম্প্রতি ব্যবসা শুরু করার জন্য চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় শশী বেশ কিছুদিন ধরেই বেকার ছিলেন। রেশমাও, যিনি আগে একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতেন, তিনি এখন গৃহবধূ। ইতিমধ্যে পুলিশের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে,খুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe