২০২৫ সালে পহেলগাঁও হামলার তদন্তে নেমে এনআইএর হাতে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। পহেলগাঁওতে যে পাকিস্তানি জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছিল, তাদের ‘অপারেশন মহাদেব’-এ নিকেশ করে ভারতীয় সেনা। সেই জঙ্গি, সুলেমান শাহ, হাবিব তাহির, হামজা আফগানির সঙ্গে থাকা সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়। তদন্তে নেমে এই জঙ্গিদের মোবাইল ফোনে নজর দেয় এনআইএর আর তার সূত্রেই করাচির ফয়জল ব্যাঙ্কের নাম উঠে আসে। যে ব্যাঙ্কের সঙ্গে এককালে পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবার এক যোগ সূত্র পাওয়া গিয়েছিল বলে রিপোর্ট দাবি করে। পাকিস্তানের বাণিজ্য নগরী হিসাবে পরিচিত করাচিতে রয়েছে এই ব্যাঙ্ক। যে করাচি এখন বিদ্যুৎ, জল, এমনকি গ্যাসের সংকটে ব্যাপকভাবে ধরাশায়ী!
পহেলগাঁও হামলার তদন্তে এনআইএ নেমে একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছে। পহেলগাঁও জঙ্গিদের কাছ থেকে একটি শাওমির সেলফোন আরেকটি রেড মি সিরিজের নাইন-টি ফোন হাতে আসে এনআইএর। শাওমির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চালানটি ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি পাকিস্তানে সরবরাহ করা হয়েছিল। চালানটির জন্য তালিকাভুক্ত লজিস্টিক কোম্পানি ছিল ‘ফয়সাল ব্যাংক’ এবং ডেলিভারির ঠিকানা হিসেবে নথিভুক্ত ছিল ‘St/02, ফয়সাল হাউস, প্রধান শাখা, শাহরাহ-ই-ফয়সাল, করাচি, পাকিস্তান।’ এক তদন্তকারী অফিসারের মতে, ‘চালানটি টেক সিরাতের কাছে পৌঁছানোর কথা, কিন্তু নথিপত্রে দেখা যায় যে এটি ব্যাংকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, কারণ ব্যাংকটিই এর অর্থায়ন করেছে। মনে হচ্ছে, পাহালগাঁও হামলাকারীদের ব্যবহৃত ফোনটি এই চালান থেকেই পাচার করে লস্কর-ই-তৈবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষণীয় যে, ২০২১ সালে আমদানির পর থেকে পাহালগাঁও হামলার আগ পর্যন্ত ফোনটি একবারও চালু করা হয়নি। মনে হচ্ছে, কোনও সন্ত্রাসীর হাতে তুলে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই ফোনটি চালান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।’ এই গোটা ঘটনা ঘিরে পাকিস্তানের করাচি শহরের ফয়জল ব্যাঙ্কের নাম উঠে আসছে। আর সেই করাচিতেই অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থা জল, বিদ্যুৎ, গ্যাসকে ঘিরে।
পাকিস্তানি সংবাদপত্র দ্য ডন বলছে, করাচি ওয়াটার অ্যান্ড স্যুয়ারেজ কর্পোরেশন (কেডব্লিউএসসি) অনুসারে, উত্তর-পূর্ব করাচি পাম্পিং স্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় শহরটি বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫৪ মিলিয়ন গ্যালন জলের ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ পরিকাঠামো দ্রুত মেরামত করা না হলে এই ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। ধাবেজি পাম্পিং স্টেশনে জরুরি শাটডাউনের মাত্র একদিন পরেই এই সর্বশেষ বিদ্যুৎ বিভ্রাটটি ঘটল, যার ফলে ইতিমধ্যেই একাধিক এলাকায় পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছিল। ২০ মিলিয়ন মানুষের বসবাস করাচিতে। সংবাদ মাধ্যম ডন বলছে, করাচির পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা মার্চের শেষ দিক থেকে শুরু হয়েছে এবং শহরের পুরোনো অবকাঠামো জুড়ে বারবার ব্যর্থতার কারণেই এটি ঘটেছে।
{{/usCountry}}পাকিস্তানি সংবাদপত্র দ্য ডন বলছে, করাচি ওয়াটার অ্যান্ড স্যুয়ারেজ কর্পোরেশন (কেডব্লিউএসসি) অনুসারে, উত্তর-পূর্ব করাচি পাম্পিং স্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় শহরটি বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫৪ মিলিয়ন গ্যালন জলের ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ পরিকাঠামো দ্রুত মেরামত করা না হলে এই ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। ধাবেজি পাম্পিং স্টেশনে জরুরি শাটডাউনের মাত্র একদিন পরেই এই সর্বশেষ বিদ্যুৎ বিভ্রাটটি ঘটল, যার ফলে ইতিমধ্যেই একাধিক এলাকায় পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছিল। ২০ মিলিয়ন মানুষের বসবাস করাচিতে। সংবাদ মাধ্যম ডন বলছে, করাচির পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা মার্চের শেষ দিক থেকে শুরু হয়েছে এবং শহরের পুরোনো অবকাঠামো জুড়ে বারবার ব্যর্থতার কারণেই এটি ঘটেছে।
{{/usCountry}}মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, অনির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, অপর্যাপ্ত জল সরবরাহ এবং গ্যাসের ঘাটতিতে জর্জরিত বাসিন্দাদের কাছে এই সংকটটি এখন আর একটি বিচ্ছিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা হিসেবে নয়, বরং ধারাবাহিক প্রশাসনগুলোর দীর্ঘস্থায়ী প্রশাসনিক ব্যর্থতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে ক্রমশই বিবেচিত হচ্ছে, যা তারা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে।