...
...
Next Story

Kashmir Encounter Update: কাশ্মীরে এনকাউন্টারে নিহত লস্কর জঙ্গি পাকিস্তানি নাগরিক! নাম প্রকাশ করল পুলিশ

শুক্রবার বাডগাম জেলায় এই এনকাউন্টার হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত জঙ্গি লস্করের সদস্য। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে পুলিশ লিখেছে, 'তুমি পালাতে পারো, কিন্তু লুকোতে পারবে না।' সেখানেই ইয়াসিরের পরিচয় প্রকাশ করা হয়।

Published on: Sep 5, 2026, 15:28:44 IST
Advertisement

কয়েক মাসের বিরতির পর ফের কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধ। নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গির। নিহত জঙ্গির পরিচয় প্রকাশ করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার নাম ইয়াসির। সে পাকিস্তানের বাসিন্দা। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যুক্ত ছিল সে।

শুক্রবার বাডগাম জেলায় নিকেশ করা হয় পাকিস্তানি জঙ্গি ইয়াসিরকে
শুক্রবার বাডগাম জেলায় নিকেশ করা হয় পাকিস্তানি জঙ্গি ইয়াসিরকে

শুক্রবার বাডগাম জেলায় এই এনকাউন্টার হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত জঙ্গি লস্করের সদস্য। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে পুলিশ লিখেছে, 'তুমি পালাতে পারো, কিন্তু লুকোতে পারবে না।' সেখানেই ইয়াসিরের পরিচয় প্রকাশ করা হয়।

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, বাডগামের জঙ্গলের মধ্যে কয়েক জন সশস্ত্র জঙ্গির গতিবিধির খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেই খবরের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়। সেনা, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথ ভাবে তল্লাশি অভিযান চালায়।

শুক্রবার ওই এলাকায় ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করা হয়। জঙ্গলের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যেরা। সেই সময় জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয় বলে দাবি সেনার।

এর পরেই শুরু হয় গুলির লড়াই। দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ গুলি বিনিময় হয়। সংঘর্ষের শেষে এক জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে বলে জানায় নিরাপত্তাবাহিনী। পরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

শ্রীনগর-ভিত্তিক সেনার ১৫ কোর এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন আশদার’। বেশ কয়েক মাস পর উপত্যকায় ফের কোনও বড় এনকাউন্টার হল। ফলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে।

তবে চলতি বছরে এই ধরনের অভিযান একেবারে নতুন নয়। গত ৮ জুলাইও নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছিল। শোপিয়ানের চানাপোরা এলাকায় ওই অভিযান চালানো হয়েছিল। সেখানে ৫৫ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়েছিল।

সেই ঘটনার কয়েক মাস পর ফের বাডগামে এনকাউন্টার। ফলে উপত্যকায় জঙ্গি গতিবিধি নিয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর নজর আরও বাড়ছে।

নিহত ইয়াসিরের বিষয়ে আরও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সে কবে এবং কী ভাবে কাশ্মীরে ঢুকেছিল, তার সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিল, কোনও নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

এদিকে, এনকাউন্টারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। কোনও জঙ্গি পালিয়ে গিয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে এলাকায় ফের তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

কয়েক মাসের আপাত শান্তির পর বাডগামের এই এনকাউন্টার ফের মনে করিয়ে দিল, কাশ্মীরে সন্ত্রাসের হুমকি পুরোপুরি শেষ হয়নি। নিরাপত্তাবাহিনীর দাবি, জঙ্গিদের গতিবিধির বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। আর পাকিস্তানি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত ও উপত্যকা—দু’দিকেই নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe