দেশে যে কোনও জরুরি অবস্থা, বিমান হামলা বা সন্ত্রাসবাদী হুমকি মোকাবিলায় অসামরিক প্রশাসনকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখতে চায় সরকার। এই আবহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরে বড় আকারের 'ব্ল্যাকআউট' এবং 'এয়ার রেইড' মক ড্রিল করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রথম বার্ষিকীর আবহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে পাকিস্তান লাগোয়া সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে। এদিকে ভারতের এই পদক্ষেপের কারণে পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়েছে।

জানা গিয়েছে, অনেক পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করছে, ভারত হয়ত আবার পাকিস্তানে আক্রমণ করতে পারে। উল্লেখ্য, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে হাই অ্যালার্ট এবং মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয় ২২ এপ্রিল। জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। রামবানে সিআরপিএফ ড্রিল হয়েছে। রামবান জেলার জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে অবস্থিত 'পিরা হোটেলস'-এর কাছে একটি বিস্তৃত মক ড্রিল চালায় সিআরপিএফের ৮৪তম ব্যাটালিয়ন। এদিকে কিস্তোয়ারে এয়ার রেইড-ব্ল্যাকআউট ড্রিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ, ২৩ এপ্রিল। পুলিশ, আধা-সামরিক, স্বাস্থ্য, দমকল বাহিনী এবং টেলিকম বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের উপর জোর দিয়ে ডেপুটি কমিশনার পঙ্কজ কুমার শর্মার নেতৃত্বে একটি বিস্তারিত অ্যাকশন প্ল্যান প্রস্তুত করা হয় এই মকড্রিলের জন্য।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
{{/usCountry}}এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
{{/usCountry}}