...
...
Next Story

Ken Betwa Project Protest: চলছিল অনশন!কেন-বেতোয়া প্রকল্পের প্রতিবাদী আন্দোলনের মুখ অমিত ভাটনাগরকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ

‘ন্যাশনাল পার্সপেক্টিভ প্ল্যান’ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন প্রতিবাদীরা।

Published on: Jul 19, 2026, 13:10:02 IST
Advertisement

ঘটনা মধ্যপ্রদেশের ছতরপুর জেলার। সেখানে কেন নদী ও বেতোয়া নদী ঘিরে এক প্রজেক্টের বিরোধিতায় নেমেছিলেন অনেকে। রিপোর্ট বলছে, এই প্রতিবাদীদের বেশিরভাগই উপজাতি এলাকার মহিলা। তাঁরা ছতরপুরের কুপি গ্রামের বারনারা নদীর তীরে এই প্রজেক্টের প্রতিবাদে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন বলে খবর। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ অমিত ভাটনাগর। তিনি গত ১১ দিন ধরে ছিলেন অনশনে। এদিন অমিত ভাটনগরকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির ফলেই তাঁকে আন্দোলন স্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চলছিল অনশন!কেন-বেতোয়া প্রকল্পের প্রতিবাদী মুখ অমিত ভাটনাগরকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ. (PTI Photo)(PTI07_19_2026_000114A) (PTI)
চলছিল অনশন!কেন-বেতোয়া প্রকল্পের প্রতিবাদী মুখ অমিত ভাটনাগরকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ. (PTI Photo)(PTI07_19_2026_000114A) (PTI)

কেন-বেতোয়া প্রজেক্ট ঘিরে যে অনশন, আন্দোলন চলছিল তার মধ্যে আলাদা করে নজর কাড়ে প্রতিবাদীদের সত্যাগ্রহ। জল সত্যাগ্রহ থেকে চিতা সত্যাগ্রহ, ফাঁসি সত্যাগ্রহ (প্রতীকী)র মাধ্যমে প্রতিবাদীরা তাঁদের প্রতিবাদের ভাষা ব্যক্ত করেন। প্রশ্ন উঠতে পারে, কীসের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ, তা নিয়ে। উল্লেখ্য, কেন ও বেতোয়া মধ্যপ্রদেশের দুই নদী বর্ষায় বহু সময়ই ফুলেফেঁপে ওঠে। 'ন্যাশনাল পার্সপেক্টিভ প্ল্যান'-এর আওতায় দেশের প্রথম নদী সংযোগ প্রকল্প—'কেন-বেতোয়া লিঙ্ক প্রজেক্ট'-এর লক্ষ্য হল, কেন নদী থেকে বেতোয়া নদীতে উদ্বৃত্ত জল স্থানান্তর করা, যাতে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তর প্রদেশের খরাপ্রবণ বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে সেচ ও পানীয় জলের সুবিধা প্রদান করা যায়। তবে, প্রতিবাদীরা, প্রকল্প বাস্তবায়নে কথিত অনিয়মের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে এবং পরিবেশগত ও আইনি বিধানাবলি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে সরব হন। বিগত ১৫ দিন ধরে চলছিল এই প্রতিবাদ। ১১ দিনের অনশনে ছিলেন অমিত ভাটনাগর।

অগণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন দমনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এএসপি (ASP) যুক্তি দেন যে, বিক্ষোভস্থলটি ছিল একটি নির্মাণাধীন সেতুর নিচে। দ্বিতীয়ত, তিনি উল্লেখ করেন যে, নদীর পানির স্তর যখন বাড়ছিল, তখনও বিক্ষোভকারীরা সেখানে অবস্থান করছিলেন,যা যেকোনও মুহূর্তে মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারত।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe