ঘটনা মধ্যপ্রদেশের ছতরপুর জেলার। সেখানে কেন নদী ও বেতোয়া নদী ঘিরে এক প্রজেক্টের বিরোধিতায় নেমেছিলেন অনেকে। রিপোর্ট বলছে, এই প্রতিবাদীদের বেশিরভাগই উপজাতি এলাকার মহিলা। তাঁরা ছতরপুরের কুপি গ্রামের বারনারা নদীর তীরে এই প্রজেক্টের প্রতিবাদে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন বলে খবর। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ অমিত ভাটনাগর। তিনি গত ১১ দিন ধরে ছিলেন অনশনে। এদিন অমিত ভাটনগরকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির ফলেই তাঁকে আন্দোলন স্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কেন-বেতোয়া প্রজেক্ট ঘিরে যে অনশন, আন্দোলন চলছিল তার মধ্যে আলাদা করে নজর কাড়ে প্রতিবাদীদের সত্যাগ্রহ। জল সত্যাগ্রহ থেকে চিতা সত্যাগ্রহ, ফাঁসি সত্যাগ্রহ (প্রতীকী)র মাধ্যমে প্রতিবাদীরা তাঁদের প্রতিবাদের ভাষা ব্যক্ত করেন। প্রশ্ন উঠতে পারে, কীসের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ, তা নিয়ে। উল্লেখ্য, কেন ও বেতোয়া মধ্যপ্রদেশের দুই নদী বর্ষায় বহু সময়ই ফুলেফেঁপে ওঠে। 'ন্যাশনাল পার্সপেক্টিভ প্ল্যান'-এর আওতায় দেশের প্রথম নদী সংযোগ প্রকল্প—'কেন-বেতোয়া লিঙ্ক প্রজেক্ট'-এর লক্ষ্য হল, কেন নদী থেকে বেতোয়া নদীতে উদ্বৃত্ত জল স্থানান্তর করা, যাতে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তর প্রদেশের খরাপ্রবণ বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে সেচ ও পানীয় জলের সুবিধা প্রদান করা যায়। তবে, প্রতিবাদীরা, প্রকল্প বাস্তবায়নে কথিত অনিয়মের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে এবং পরিবেশগত ও আইনি বিধানাবলি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে সরব হন। বিগত ১৫ দিন ধরে চলছিল এই প্রতিবাদ। ১১ দিনের অনশনে ছিলেন অমিত ভাটনাগর।
উচ্ছেদ, পুনর্বাসন এবং বন ও বন্যপ্রাণীর (যার মধ্যে পান্না টাইগার রিজার্ভের কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত) ওপর প্রভাব সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে প্রকল্প-কবলিত পরিবারগুলোর একাংশ এবং পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসন যেন আইন মেনে চলে এবং সংবিধানে নিশ্চিত করা অধিকারগুলো সমুন্নত রাখে।
{{/usCountry}}উচ্ছেদ, পুনর্বাসন এবং বন ও বন্যপ্রাণীর (যার মধ্যে পান্না টাইগার রিজার্ভের কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত) ওপর প্রভাব সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে প্রকল্প-কবলিত পরিবারগুলোর একাংশ এবং পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসন যেন আইন মেনে চলে এবং সংবিধানে নিশ্চিত করা অধিকারগুলো সমুন্নত রাখে।
{{/usCountry}}অগণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন দমনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এএসপি (ASP) যুক্তি দেন যে, বিক্ষোভস্থলটি ছিল একটি নির্মাণাধীন সেতুর নিচে। দ্বিতীয়ত, তিনি উল্লেখ করেন যে, নদীর পানির স্তর যখন বাড়ছিল, তখনও বিক্ষোভকারীরা সেখানে অবস্থান করছিলেন,যা যেকোনও মুহূর্তে মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারত।