...
...
Next Story

Ketan Agarwal's Family Tragedy: কেতন হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই আগরওয়াল পরিবারে ফের নেমে এল শোকের ছায়া

কেতনের ঠাকুরদা দেবীচাঁদ আগরওয়াল একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নাতির আকস্মিক মৃত্যু তাঁর উপর গভীর মানসিক প্রভাব ফেলেছিল। সেই ধাক্কা সামলানোর আগেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

Published on: Jul 5, 2026, 09:37:26 IST
Advertisement

পুণের তরুণ ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ফের নেমে এল দুঃসংবাদ। কেতনের ঠাকুরদা দেবীচাঁদ আগরওয়াল একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নাতির আকস্মিক মৃত্যু তাঁর উপর গভীর মানসিক প্রভাব ফেলেছিল। সেই ধাক্কা সামলানোর আগেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

কেতনের ঠাকুরদা দেবীচাঁদ আগরওয়াল একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন।
কেতনের ঠাকুরদা দেবীচাঁদ আগরওয়াল একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন।

দেবীচাঁদ আগরওয়াল দীর্ঘদিন ধরেই হৃদ্‌রোগে ভুগছিলেন। কিছুদিন আগে তাঁর বড় ধরনের হার্টের অস্ত্রোপচার হয়েছিল। এরপর থেকে বারবার শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, কেতনের মৃত্যুর পর থেকেই তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। গত সপ্তাহে আচমকাই তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে পুণের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা তাঁকে ভেন্টিলেটরে রেখে নিবিড় পরিচর্যা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা পোস্ট করেন। নিজের স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘Miss You Dad’, যা পরিবারের শোকের আবহ আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

কয়েক সপ্তাহ আগেই কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। অভিযোগ, বাগদত্তা সিয়া গোয়াল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী পরিকল্পনা করে পুণের লোহগড় দুর্গে নিয়ে গিয়ে কেতনকে গভীর খাদে ঠেলে হত্যা করেন। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা ঘটনার আগে ইন্টারনেটে বিভিন্নভাবে খুন করার উপায় নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছিল। গুগল ও ইউটিউবে তারা নানা পদ্ধতি খুঁজে দেখার পর শেষ পর্যন্ত লোহগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বলে অভিযোগ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe