বিহারের পটনায় জনপ্রিয় শিক্ষক ও ইউটিউবার খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তাঁর কোচিং প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় এক নিরাপত্তারক্ষী আহত হন এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

ঘটনার খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ কোচিং সেন্টারে পৌঁছন খান স্যার। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন দুষ্কৃতী জোর করে প্রতিষ্ঠানে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীর উপর হামলা চালায় এবং সম্পত্তিরও ক্ষতি করে। প্রথমদিকে গুলিচালনার খবর সামনে এলেও পরে জানা যায়, এটি মূলত ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ছিল। যদিও অন্যান্য কয়েকটি প্রতিবেদনে কোচিং সেন্টারের বাইরে গুলিচালনার অভিযোগও উঠে এসেছে, যা নিয়ে তদন্ত চলছে।
খান স্যারের দাবি, সম্প্রতি তাঁর কোচিং সেন্টারের বহু ছাত্র বিহার পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় সফল হয়েছে। সেই উপলক্ষে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, ওই অনুষ্ঠানের পর কিছু ব্যক্তি এসে কোচিং সেন্টার উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। এরপরই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পিছনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং সেন্টারের ভূমিকা থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খান স্যার। তাঁর বক্তব্য, খুব কম খরচে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ায় কিছু মহল তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করে। তবে এই অভিযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও মেলেনি। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে।
এদিকে হামলার প্রতিবাদে বুধবার সকালে কোচিং সেন্টারের বাইরে জড়ো হন বহু ছাত্রছাত্রী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহত নিরাপত্তারক্ষী কয়েকজন অভিযুক্তকে চিনতে পেরেছেন বলেও জানা গিয়েছে। পাটনার পুলিশ প্রশাসনের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে কিছু ছাত্রের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। ঘটনাটি ঘিরে পাটনার কোচিং মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। হামলার প্রকৃত কারণ, এর নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং প্রতিষ্ঠানের যোগসূত্র আছে কি না, তা জানতে তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে।
{{/usCountry}}এদিকে হামলার প্রতিবাদে বুধবার সকালে কোচিং সেন্টারের বাইরে জড়ো হন বহু ছাত্রছাত্রী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহত নিরাপত্তারক্ষী কয়েকজন অভিযুক্তকে চিনতে পেরেছেন বলেও জানা গিয়েছে। পাটনার পুলিশ প্রশাসনের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে কিছু ছাত্রের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। ঘটনাটি ঘিরে পাটনার কোচিং মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। হামলার প্রকৃত কারণ, এর নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং প্রতিষ্ঠানের যোগসূত্র আছে কি না, তা জানতে তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে।
{{/usCountry}}