২০২৪ সাল পাকিস্তানের সাধারণ ভোটে ইমরান খানের পার্টি,পাকিস্তান তেহরিক-এ-ইনসাফ বেশি আসনে জিতেও আসতে পারেনি ক্ষমতায়। সেই সময় ইমরান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি জোট গড়ে সরকারে আসে। পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসে শেহবাজ শরিফের সরকার। রাষ্ট্রপতি হন আসিফ আলি জরদারি। উল্লেখ্য, পাকিস্তানে ইমরান খানের পার্টি পিটিআই-র সরকারের ক্ষমতায় থাকা শেষ এলাকা ছিল খাইবার পাখতুনখোয়া বা কেপি। এবার সেই কেপিতেই লাগু করে দেওয়া হল, জরুরি অবস্থা (ইমারজেন্সি), গভরনর্স রুল (রাজ্যপালের শাসন)। এমনই রিপোর্ট উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যম ডন-এ। ফলত, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইমরান খানের পার্টির সরকারের শেষ চিহ্নটিও কার্যত মুছে গেল আপাতত পাকিস্তানের বুক থেকে!
পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছের এলাকা হল খাইবার পাখতুনখোয়া। এদিকে, গত বেশ কিছুদিন ধরে আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সংঘাত তুঙ্গে। এদিকে, গত বেশ কিছুদিন ধরে ইমরান খানের পার্টি পিটিআইয়ের সঙ্গে শেহবাজ পক্ষের সংঘাতের পারদ চড়ছিল। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বর্তমানে সেদেশের আদিয়ালা জেলেবন্দি। তাঁর জেলমুক্তির দাবিতে দেশ জুড়ে লং মার্চের রাস্তা নেয় তাঁর পার্টি পিটিআই। এতেই গোঁসা বেড়ে যায় শেহবাজ সরকারের।
যখন এই বিক্ষোভ গতি পাচ্ছিল এবং কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের ইসলামাবাদের দিকে অগ্রসর হওয়া ঠেকানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখনই জরুরি অবস্থা জারি করা হল। শনিবার ডন পত্রিকা জানিয়েছে যে, লং মার্চে অংশগ্রহণকারী পিটিআই সমর্থকরা ইসলামাবাদ থেকে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছিল। ইমরানের পিটিআইর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলি খান এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে একে ‘একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও গুরুতর রাজনৈতিক ভুল এবং অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেছেন, এই পদক্ষেপটি সন্ত্রাস-পীড়িত অঞ্চলে শান্তি আনার পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রদেশের মধ্যে সংঘাতকে আরও গভীর করবে। খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি হুঁশিয়ারির সুরে বলেছেন, ‘যদি কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।’
উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখোয়া আফগানিস্তান লাগোয়া। এলাকাটিতে টিটিপি (তেহরিক-এ তালিবান-পাকিস্তান)র বহু হামলা গত কয়েকদিনে দেখা গিয়েছে। রবিবার শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠকের পর এই গভরনর্স রুল, ইমারজেন্সি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদ এবং সাংবিধানিক শাসনের ভাঙনের কারণ দেখিয়ে পাকিস্তানের সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদের অধীনে এই পদক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখোয়া আফগানিস্তান লাগোয়া। এলাকাটিতে টিটিপি (তেহরিক-এ তালিবান-পাকিস্তান)র বহু হামলা গত কয়েকদিনে দেখা গিয়েছে। রবিবার শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠকের পর এই গভরনর্স রুল, ইমারজেন্সি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদ এবং সাংবিধানিক শাসনের ভাঙনের কারণ দেখিয়ে পাকিস্তানের সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদের অধীনে এই পদক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।
{{/usCountry}}