Kolkata Petrol-Diesel Price Hike: ভারতে বাড়ল পেট্রোল ও ডিজেলে দাম। কলকাতায় এক লাফে ৩.২৯ টাকা বেড়েছে পেট্রোলের দাম। শহরে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৩.১১ টাকা। এই আবহে আজ থেকে কলকাতায় পেট্রোল বিকোচ্ছে ১০৮.৭৪ টাকা প্রতি লিটার দরে। ডিজেল বিকোচ্ছে ৯৫.১৩ টাকা প্রতি লিটার দরে। এদিকে দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ৯৪.৭৭ টাকা থেকে বেড়ে হল ৯৭.৭৭ টাকা। ডিজেলের দাম ৮৭.৬৭ টাকা থেকে ৯০.৬৭ টাকা হল। এছাড়া মুম্বইতে পেট্রোলের দাম ৩.১৪ টাকা বেড়ে ১০৬.৬৮ টাকা হয়েছে, ডিজেল ৩.১১ টাকা বেড়ে ৯৩.১৪ টাকা হয়েছে। চেন্নাইতে পেট্রোলের দাম ২.৮৩ টাকা বেড়ে ১০৩.৬৭ টাকা হয়েছে, ডিজেল ২.৮৬ বেড়ে ৯৫.২৫ টাকা হয়েছে। এদিকে আজ থেকে ৩ টাকা করে বেড়েছে সিএনজির দামও।

ইরানকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থামার কোনও ইঙ্গিত এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এহেন অবস্থায় ভারতে যে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়তে পারে, তার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। সুইৎজারল্যান্ডে একটি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব ভারতেও ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করেছে। ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু সময়ের অপেক্ষা।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে তেল ও গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছে। এর জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত যেহেতু জ্বালানি এবং সারের জন্য অনেকটাই আমদানির উপর নির্ভরশীল, তাই এই পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতির উপর চাপ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন আরবিআই গভর্নর। পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের আবহে কেন্দ্র সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকছিল। এই আবহে এতদিন পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দাম অপরিবর্তিত রেখেছিল দেশে। তবে সংঘাত যেহেতু আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে, তাই এবার খুচরো বাজারেও তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হল ভারত।
এদিকে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক মিতব্যয়ী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে জ্বালানির ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এদিকে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ভারতীয় মুদ্রাতেও। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য কমেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও বাড়ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি মূল্যসূচকে জ্বালানি খাতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে।
{{/usCountry}}এদিকে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক মিতব্যয়ী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে জ্বালানির ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এদিকে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ভারতীয় মুদ্রাতেও। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য কমেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও বাড়ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি মূল্যসূচকে জ্বালানি খাতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে।
{{/usCountry}}