ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে সংখ্যালঘু মুসলিমদের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ক্রমাগত মিথ্যাচার করে আসছে পাকিস্তান। তবে সেই পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের হিন্দুদের ওপর প্রতিনিয়ত হামলা করা হচ্ছে। এরই মাঝে এবার সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচির একটি ঐতিহাসিক ভবনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও গোপীদের মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ৩১ মার্চ ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের এক হিন্দু সমাজকর্মী।

পাকিস্তান দরবার ইত্তেহাদের সভাপতি শিব কাশি বলেছেন, করাচির ঐতিহাসিক সাগান ম্যাসন ভবনে কৃষ্ণ মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমরা এই লজ্জাজনক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি লেখেন, 'এটি কেবল একটি কাঠামোর ক্ষতি নয়, এটি পাকিস্তানের বহুসাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনুভূতির উপর আক্রমণ। সরকারের উচিত এই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কারণ এই ঘটনা হিন্দু সম্প্রদায়কে গভীরভাবে আঘাত করেছে।'
শিব কাশি আরও বলেন, 'দোষীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এই ঐতিহাসিক ভবনটি অবিলম্বে সংস্কার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।' জানা গিয়েছে, প্রাক-স্বাধীনতা যুগে ১৯৩৭ সালে নির্মিত হয়েছিল এই বিল্ডিংটি। এই ভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাস্কর্য এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীক রয়েছে। অবশ্য পাকিস্তানে হিন্দু প্রতীকে হামলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও পাকিস্তানের বহু মন্দিরে অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। ভারত এই ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে বেশ কয়েকবার পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিয়েছে। তবে পাকিস্তান সরকার এই ইস্যুতে কোনও তৎপরতা দেখায়নি।