Social Media KYC Proposal: ব্যাঙ্কের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ায় KYC বাধ্যতামূলক হচ্ছে? রিপোর্ট জমা সরকারের কাছে
ব্যাঙ্কের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ায় KYC (নো ইউর কাস্টমার বা কেওয়াইসি) বাধ্যতামূলক হচ্ছে? রিপোর্ট জমা পড়ল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। ওই মহলের মতে, ভুয়ো প্রোফাইল চিহ্নিত করতে, অনলাইনে হেনস্থা রুখতে, নেট দুনিয়ায় কাউকে অযাচিতভাবে বিরক্ত করা বা গোপনে অনুসরণ করার মতো ঘটনায় রাশ টানা যাবে।
সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করা হবে? কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এমনই সুপারিশ করল সংসদীয় কমিটি। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অনলাইনে মহিলা এবং শিশুদের সুরক্ষার স্বার্থে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের বাধ্যতামূলকভাবে যাতে কেওয়াইসি (নো ইওর কাস্টমার) করা হয়, সেজন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছে সাইবার অপরাধ ও সাইবার সুরক্ষা নিয়ে মহিলাদের ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত কমিটি। আর যদি সেই সুপারিশ গৃহীত হয়, তাহলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে কেওয়াইসি করা হয় (আধার কার্ড বা প্যান কার্ডের সংযোগ), সেরকমই নিয়ম চালু হয়ে যাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও।
কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় KYC চালু করতে চাইছে কমিটি?
তবে বিষয়টি নিয়ে আপাতত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কমিটি অবশ্য মনে করছে যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করা হলে ভুয়ো প্রোফাইল চিহ্নিত করতে, অনলাইনে হেনস্থা রুখতে, নেট দুনিয়ায় কাউকে অযাচিতভাবে বিরক্ত করা বা গোপনে অনুসরণ করার মতো ঘটনায় রাশ টানা যাবে।
অনলাইন দুনিয়ায় সুরক্ষা বাড়বে শিশু-মহিলাদের
একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়া, ডেটিং অ্যাপ বা গেমিং প্ল্যাটফর্মে কেওয়াইসি-নির্ভর পরিচয় ও বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চালু করার ফলে এরকম হেনস্থাকারীদের সহজে ধরা যাবে। অনলাইনে মহিলা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে সংসদীয় কমিটির তরফে।
রি-কেওয়াইসির মতোই করা হোক রি-ভেরিফিকেশন
ওই সংসদীয় কমিটির মতে, যে উদ্দেশ্যে ওই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি সফল করার জন্য নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের রি-ভেরিফিকেশন করতে হবে, ঠিক যেমন মাঝেমধ্যেই রি-কেওয়াইসি করতে হয় ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে। সেইসঙ্গে যে সব অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জমা পড়ছে, সেগুলির উপরে লাগাতার নজরদারি চালানোরও সুপারিশ করা হয়েছে সাইবার অপরাধ ও সাইবার সুরক্ষা নিয়ে মহিলাদের ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত কমিটির রিপোর্টে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


