Jaishankar on Iran mediation: পাকিস্তানের মতো 'দালাল দেশ' নয় ভারত, ইরান-US যুদ্ধে ‘দূত’ হওয়া নিয়ে নিশানা জয়শংকরের
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন উত্তেজনা! করাচিগামী কন্টেইনার জাহাজ 'সিলিন'-কে হরমুজ প্রণালী থেকে ফিরিয়ে দিল ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রস্তাবের মাঝেই কেন এই কঠোর পদক্ষেপ নিল তেহরান? পড়ুন বিস্তারিত।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে পাকিস্তান যে 'দূত' হওয়ার চেষ্টা করছে, তা নিয়ে ইসলামাবাদকে কটাক্ষ করল ভারত। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেছেন যে 'পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ' হিসেবে কাজ করবে না ভারত। আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন, যখন পশ্চিম এশিয়ায় ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘের মাঝে এক নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছেই ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে। একদিকে যখন পাকিস্তান আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, ঠিক সেই সময়ই করাচিগামী একটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে ফিরিয়ে দিল ইরানের বাহিনী। তেহরানের দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং আইনি প্রোটোকল না মানার কারণেই এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: SC raps Haryana Police: 'কমিশনার থেকে SI- পুরো বাহিনীই….', শিশুর ধর্ষণকাণ্ডে হরিয়ানা পুলিশকে তুলোধোনা সুপ্রিম কোর্টের
কী ঘটেছিল মাঝসমুদ্রে?
সূত্রের খবর, 'সিলিন' (SELEN) নামক একটি কন্টেইনার জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহের শারজা থেকে পাকিস্তানের করাচি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। গত সোমবার শারজা থেকে রওনা দেওয়ার পর জাহাজটি যখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে পৌঁছায়, তখনই ইরানের নৌবাহিনী সেটিকে বাধা দেয়। আইআরজিসর নৌ-কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানিয়েছেন, আইনি অনুমতি না থাকায় এবং সামুদ্রিক নিয়ম লঙ্ঘন করায় জাহাজটিকে পথ পরিবর্তন করে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।
পাকিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা
এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন পাকিস্তান বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সম্প্রতি ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়ার এই ঘটনা ইসলামাবাদের জন্য এক বড় ধরনের কূটনৈতিক অস্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কেন হরমুজ প্রণালীতে কড়াকড়ি?
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ পথ। বর্তমানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে চরম উত্তেজনার জেরে ইরান এই জলপথের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের সমুদ্রসীমা দিয়ে যেতে হলে প্রতিটি জাহাজকে আগাম অনুমতি নিতে হবে। বিশেষ করে যে সমস্ত দেশ বা জাহাজ সরাসরি ইরান-বিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত, তাদের জন্য এই পথ কার্যত বন্ধ। মজার বিষয় হলো, পাকিস্তানগামী জাহাজ ফিরিয়ে দিলেও ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি (LPG) ট্যাঙ্কারগুলিকে ইরান নিরাপদ পথ দিচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


