LPG Cylinder New Rule: ৩ মাস পরেই এলপিজি সিলিন্ডার বন্ধ হয়ে যাবে এই গ্রাহকদের! কাদের? জানাল কেন্দ্রের
রান্নার গ্যাসের গ্রাহকদের জন্য বড় খবর! যে সব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস পৌঁছেছে, সেখানে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার সংযোগ বন্ধ করে দেবে সরকার। জানুন সরকারের নতুন নিয়ম এবং আপনার ওপর এর কী প্রভাব পড়বে।
ভারতের সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেটে বড়সড় রদবদল আসতে চলেছে। বর্তমানে ভারতে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার পরিবেশবান্ধব পিএনজি সংযোগের ওপর জোর দিচ্ছে। পাইপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হলে তা সিলিন্ডার পরিবহনের ঝক্কি কমায় এবং গ্রাহকদের জন্য অনেকটাই সাশ্রয়ী হয়। তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক এলাকায় পিএনজি লাইন থাকলেও বহু গ্রাহক পুরনো অভ্যেসবশত এলপিজি সিলিন্ডারই ব্যবহার করে চলেছেন। এর ফলে একই এলাকায় দুই ধরনের পরিকাঠামো বজায় রাখা সরকারের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সেইসঙ্গে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার নিয়েও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও পিএনজি বা নলবাহিত রান্নার গ্যাস নিলে তিন মাসের মধ্যেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বন্ধ হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: UPI Transaction Rule: পিন ভুলে গেলেও পাঠানো যাবে টাকা! UPI ইউজারদের জন্য সুখবর, কত টাকা পর্যন্ত?
নতুন নিয়মে কী বলা হয়েছে?
সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, যদি কওনো আবাসন বা এলাকায় পিএনজি নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকে, তবে সেখানকার বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলকভাবে পিএনজি সংযোগ নিতে হবে। যদি কোনও গ্রাহক ইচ্ছে করে পিএনজি সংযোগ নিতে অস্বীকার করেন, তবে সরকার সেই গ্রাহকের এলপিজি কানেকশন বা সিলিন্ডার সাপ্লাই স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিতে পারে। সেজন্য তিন মাস সময় দেওয়া হবে।
গ্রাহকদের ওপর প্রভাব
এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শহরতলি ও মেট্রো শহরগুলোর কয়েক লক্ষ গ্রাহক সরাসরি প্রভাবিত হবেন। পিএনজি ব্যবহার করলে সিলিন্ডার বুকিং করা বা ডেলিভারির জন্য অপেক্ষা করার ঝামেলা থাকে না। এছাড়া এটি সিলিন্ডারের তুলনায় প্রায় ১৫-২০ শতাংশ সস্তা। তবে অনেক গ্রাহক পুরনো অভ্যেসের কারণে সিলিন্ডার ছাড়তে নারাজ। সরকারের এই নতুন 'সুইচ' করার নিয়ম তাঁদের জন্য বাধ্যতামূলক হওয়ায় বিপাকে পড়তে পারেন অনেকেই।
সিলিন্ডার কি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে?
না, সরকার এখনই সারা দেশে এলপিজি বন্ধ করছে না। শুধুমাত্র যে এলাকায় পাইপলাইন পরিকাঠামো তৈরি আছে, সেখানেই এই কড়াকড়ি করা হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি এবং পিএনজি সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা গ্রাহকদের এই পরিবর্তনের বিষয়ে সচেতন করে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


