Yuvraj father on Ashwin: ‘অশ্বিন নিজে কী?’, আক্রমণ যুবির বাবার, বললেন ‘৬ মাসে না পারলে দাড়ি কেটে ফেলব……’
ভারতের প্রাক্তন তারকা রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে আক্রমণ শানালেন যুবরাজ সিংয়ের বাবা যোগরাজ সিং। শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেছেন যে ছয় মাস পেলে একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে দেখাবেন। না করতে পারলে নিজের দাড়ি কেটে দেবেন।
সচিন তেন্ডুলকরেরে ছেলে অর্জুনকে নিয়ে মুখ খোলায় রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে আক্রমণ করলেন যুবরাজ সিংয়ের বাবা যোগরাজ। আইপিএলের আগে ভারতের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছিলেন যে অর্জুন আদৌও লখনউ সুপার জায়ান্টসের প্রথম একাদশে সুযোগ পাবেন কিনা। এমনকী দলে চোট-আঘাত না থাকলে তাঁর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই জানিয়েছেন অশ্বিন। তাতেই চোটে যান যুবরাজের বাবা। সরাসরি অশ্বিনকে নিশানা করেন। প্রশ্ন তোলেন যে ‘অশ্বিন নিজে কী?’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, অর্জুনকে ছয় মাসের জন্য নিজের হাতে পেলে এমনভাবে তৈরি করবেন যে বিশ্বের সেরা ব্যাটার হয়ে উঠবেন সচিন-পুত্র। আর সেই শর্ত পূরণ করতে না পারলে নিজের দাড়ি কেটে ফেলে দেবেন।

অর্জুন সুযোগ পাবেন না LSG-র একাদশে, মত অশ্বিনের
আর যুবরাজের বাবা সেই আক্রমণ করেছেন, নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিনের মন্তব্যের পরে। তিনি বলেন, 'আমার মতে, (লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে অর্জুনের খেলা বা প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া) অত্যন্ত কঠিন। কারণ ইতিমধ্যে দলে আছে মায়াঙ্ক যাদব, মহসিন খান, আবেশ খান এবং মহম্মদ শামি। অনেক ফাস্ট বোলার আছে। ও কোথায় খেলবে? আমার মনে হয় না যে ও প্রথম একাদশে ঢুকতে পারবে, যদি না অনেক চোট-আঘাতের ব্যাপার থাকে।'
'অশ্বিন, যে হোক না কেন?', তোপ যুবির বাবার
তাতেই চটে যান যুবরাজের বাবা। ভারতের প্রাক্তন তারকা অফস্পিনারকে নিশানা করে সংবাদমাধ্যম ইনসাইড স্পোর্টসের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'ও ফালতু কথা বলছে। এই অশ্বিন লোকটা, ও যেই হোক না কেন, ওর জানা উচিত যে অন্যের বিষয়ে কীভাবে কথা বলা উচিত। একজন টিভিতে বসে বলে যাচ্ছে, ও এই কাজটা করতে পারবে না, ও ওই কাজটা করতে পারবে না। আরে ভাই, তুমি নিজে কী?'
'৬ মাসের জন্য পাঠিয়ে দিন, নাহলে দাড়ি কেটে দেব'
তিনি আরও বলেন, 'ক্রিকেটাররা যখন এরকমভাবে কথা বলে....ও সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে। সেটা একটা আলাদা ব্যাপার। ও (অর্জুন) যখন এখানে ছিল, আমি যুবিকে বলেছিলাম যে অর্জুন তেন্ডুলকরের পুরো জিনিসে জোর দিচ্ছ। ও বোলার নয়। ওর শিরদাঁড়ার সমস্যা আছে। ওর হাত ৪৫ ডিগ্রিতে নেমে আসে। ও যখন এখানে ছিল, তখনও আমি ওর সঙ্গে কথা বলছিলাম। ও গোয়া দলে ছিল, তখনও ওর কোচকে সেটা বলেছিলাম। ও যখন ব্যাট করছিল, তখন ও ছক্কা ও বাউন্ডারি মারছিল। আমি ওর কোচকে বলেছিলাম, আপনারা করছেন টা কী? যদি আপনি না পারেন, তাহলে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন।'
সেই রেশ ধরে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে যুবরাজের বাবা বলেন, 'আমি পুরো বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করছি যে যদি আমার সঙ্গে অর্জুন তেন্ডুলকর ছয় মাস থাকে, তাহলে এই বিশ্বের সমস্ত ব্যাটারকে ছাপিয়ে যাবে। নাহলে আমি আমার দাড়ি কেটে ফেলব এবং ছুড়ে ফেলে দেব। এভাবেই আমি আমার কাজ করি।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


