Lashkar Operative Khargosh: গত ডিসেম্বর মাসে পুলিশি তদন্তে হদিশ মিলেছিল দেশের হোয়াইট কলার জঙ্গি মডিউলের। এবার অন্তঃরাজ্য তদন্তে, পাক জঙ্গি শিবির লস্কর-ই-তৈবার জল, দেশে কতটা বিছিয়ে রয়েছে, তার হদিশ পেতে, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পদক্ষেপে, হাতে হাতে এসেছে লস্কর ই তৈবার জঙ্গি হারিস ওরফে ‘খরগোশ’র সাম্প্রতিক খবর!

এই খরগোশ বহুদিন ধরেই ওয়ান্টেড তালিকায় ছিল। নিরাপত্তার বেষ্টনী নিখুঁতভাবে পার করে এই হারিস পাকিস্তান থেকে ২০১২ সালে ভারতে আসে। খুব লুকিয়ে চুরিয়ে নিরাপত্তার ফাঁক গলে, পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ায় অভিজ্ঞ হওয়ার জন্য হারিস, ‘খরগোশ’ নামে পরিচিত হয়। এক তদন্তে নেমে হঠাৎই পুলিশ জানতে পেরেছে, ভারত ছেড়ে হারিস পাকিস্তানে নয়, সৌদি আরবে পৌঁছেছে।
পুলিশ এতদিন পর্যন্ত জানত, হারিস, পাকিস্তানের করাচি থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে। তবে সদ্য কিছু গ্রেফতারির পর পুলিশ জেনেছে, করাচি নয়, হারিস, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাসিন্দা। করাচিতে হারিসের বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর রয়েছে। সেখান থেকেই সে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করে। প্রশ্ন উঠছে, এতদিন পরে হঠাৎ কীভাবে হারিস ওরফে খরগোশের খবর উঠে এল, তা নিয়ে।
শ্রীনগর পুলিশ, নতুন করে রাজ্যগুলির অন্দরে থাকা লস্কর ই তৈবার অপারেটিভদের নিয়ে তদন্ত শুরু করে। তার হাত ধরেই ১৬ বছর ভারতে গা ঢাকা দেওয়া পাকিস্তানি জঙঅগি আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেরা গ্রেফতার হয়। সঙ্গে আরও ৪ জন গ্রেফতার হয়। তাদের জেরা করেই আসে হারিসের সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পুলিশ বলছে, করাচিতে হারিসের বিরুদ্ধে একাধিক পুলিশি অভিযোগ থেকে বাঁচতে লস্করের জঙ্গি শিবিরে যোগ দেয় হারিস। পরে ভারতে জম্মু ও কাশ্মীরের উত্তর প্রান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ। এরপর সে শ্রীনগর, বন্দিপোরায় অনেকদিন থেকেছে। পরে লস্করেরই অপর এক গ্রাউন্ড অপারেটিভ জঙ্গির মেয়েকে বিয়ে করে হারিস। বিয়ে হয় জয়পুরে। সেই সময় হারিস, সজ্জিদ নাম নিয়ে বিয়ে করে। আসল নাম, পাকিস্তানি পরিচিতি লুকিয়ে এসব হয়। সেই বিয়ের নথিকেই হাতিয়ার করে ভারতীয় পাসপোর্ট জুটিয়ে ফেলে হারিস। এর থেকেই পাসপোর্ট নথি যাচাই ঘিরে নিরাপত্তা জনিত নানান প্রশ্ন উঠছে। কোন ফাঁকফোঁকড় দিয়ে এই পাসপোর্ট হারিস পেয়েছে, তা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠছে। কীভাবে, রাজস্থানে এই পাসপোর্ট ইস্যু হল, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারত থেকে বেরিয়ে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছয় হারিস। পরে সে ২০২৪-২৫ নাগাদ যায় সৌদি আরবে। হারিস যে, হরিয়ানা, রাজস্থান, পঞ্জাবে লুকিয়ে সন্ত্রাসে মদতের কাজ করে গিয়েছে, তা ধৃত জঙ্গি আবদুল্লা পুলিশকে জানিয়েছে। সেই হারিসের জয়পুরে বিয়ের কথা জানায়। জানা গিয়েছে, কনের বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
{{/usCountry}}পুলিশ বলছে, করাচিতে হারিসের বিরুদ্ধে একাধিক পুলিশি অভিযোগ থেকে বাঁচতে লস্করের জঙ্গি শিবিরে যোগ দেয় হারিস। পরে ভারতে জম্মু ও কাশ্মীরের উত্তর প্রান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ। এরপর সে শ্রীনগর, বন্দিপোরায় অনেকদিন থেকেছে। পরে লস্করেরই অপর এক গ্রাউন্ড অপারেটিভ জঙ্গির মেয়েকে বিয়ে করে হারিস। বিয়ে হয় জয়পুরে। সেই সময় হারিস, সজ্জিদ নাম নিয়ে বিয়ে করে। আসল নাম, পাকিস্তানি পরিচিতি লুকিয়ে এসব হয়। সেই বিয়ের নথিকেই হাতিয়ার করে ভারতীয় পাসপোর্ট জুটিয়ে ফেলে হারিস। এর থেকেই পাসপোর্ট নথি যাচাই ঘিরে নিরাপত্তা জনিত নানান প্রশ্ন উঠছে। কোন ফাঁকফোঁকড় দিয়ে এই পাসপোর্ট হারিস পেয়েছে, তা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠছে। কীভাবে, রাজস্থানে এই পাসপোর্ট ইস্যু হল, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারত থেকে বেরিয়ে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছয় হারিস। পরে সে ২০২৪-২৫ নাগাদ যায় সৌদি আরবে। হারিস যে, হরিয়ানা, রাজস্থান, পঞ্জাবে লুকিয়ে সন্ত্রাসে মদতের কাজ করে গিয়েছে, তা ধৃত জঙ্গি আবদুল্লা পুলিশকে জানিয়েছে। সেই হারিসের জয়পুরে বিয়ের কথা জানায়। জানা গিয়েছে, কনের বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
{{/usCountry}}