UPSC Civil Services Success Story: ‘সুখের’ চাকরি ছেড়ে UPSC! ২ বার ধাক্কা খেয়ে সংশয়, শেষে কীভাবে IAS হলেন বিশাখা?

UPSC Civil Services Success Story: Cisco-র মতো কোম্পানিতে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু সেই ‘সুখের চাকরি’ ছেড়ে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের অনিশ্চয়তার জগতে পা রাখেন। আর তাতে সাফল্য অর্জন করলেন বিশাখা যাদব।

Published on: Aug 13, 2026, 07:58:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

UPSC Civil Services Success Story: জীবনের গতিপথ বেশ মসৃণ ছিল। বিশ্বের অন্যতম প্রথমসারির তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা Cisco-তে চাকরি করতেন। তারইমধ্যে ইউপিএসসি (ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন) সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়ে আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকেন। আর সেই স্বপ্নপূরণের জন্য ছেড়ে দেন Cisco-র চাকরি। পুরোদমে শুরু করেন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি। কিন্তু প্রথম দুটি অ্যাটেম্পটে সাফল্য মেলেনি। তাতে হাল ছাড়েননি। শেষপর্যন্ত ২০১৯ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় বাজিমাত করেন। শুধু বাজিমাত করেননি, ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে আইএএস অফিসার হয়েছেন বিশাখা যাদব।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আইএএস অফিসার বিশাখা যাদব। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এক্স @yadavVish21_IAS)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আইএএস অফিসার বিশাখা যাদব। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এক্স @yadavVish21_IAS)

Cisco-র চাকরি ছেড়ে UPSC সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি

দিল্লি টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিটেক নিয়ে পড়াশোনার পরে বেঙ্গালুরুতে Cisco-তে চাকরি পান বিশাখা। সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু ততদিনে আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দেন। আর নিজের সেই স্বপ্নপূরণ করতে প্রায় দু'বছর কাজ করার পর Cisco-র চাকরি ছেড়ে দেন।

আরও পড়ুন: Success Story: খেতে কোদাল চালানো থেকে পুলিশের DSP! রাজ্য PSC পরীক্ষায় ১৮ স্থান অর্জন সোনুর

বিশাখা ফুলটাইম প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার জন্য। তবে স্বপ্নের পথ কোনওদিনই মসৃণ ছিল না। কোনও কোচিং সেন্টারে ভরতি না হয়ে নিজের তৈরি ছকে সেলফ-স্টাডি শুরু করেন। কিন্তু প্রথম অ্যাটেম্পটে প্রিলিমিনারির বাধা অতিক্রম করতে পারেননি। দ্বিতীয়বারও পাননি কাঙ্খিত সাফল্য।

আরও পড়ুন: Success Story: মা বেচতেন সবজি, বাবা দিনমজুর, সেই ছেলেরই টানা ৩ বার UPSC-তে বাজিমাত, হলেন IPS

চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঠিক ভুল? ভুগতে থাকেন সংশয়ে

সেই পরিস্থিতিতে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা যেন আত্মসংশয়ে ভুগতে থাকেন বিশাখা। তবে পাশে পান মা-বাবাকে। তাঁদের সমর্থনে নতুন করে প্রস্তুতির শক্তি পান। পালটে ফেলেন পড়াশোনার ধরন। প্রথম দুটি অ্যাটেম্পটের সময় যেভাবে পড়েছিলেন, তা নিয়ে পর্যালোচনা করতে থাকেন। সেইসঙ্গে দৈনিক রিভিশন, ধারণা স্বচ্ছ করা ও টাইম ম্যানেজমেন্টের ওপর কড়া নজর দেন।

আরও পড়ুন: UPSC Success Story: বাবা কামার হওয়ায় তাচ্ছিল্য করা হত, IAS হয়ে জবাব ছেলের, হাতখরচের জন্য করতেন কাজও

তৃতীয় অ্যাটেম্পটে ভারতে ষষ্ঠ স্থান অধিকার

অবশেষে ২০১৯ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় মেলে সাফল্য। শুধু সাফল্য বললেও কম বলা হবে না, একধাক্কায় ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেন। ২০২০ ব্যাচের AGMUT ক্যাডারের এই অফিসার প্রথম পোস্টিং পান অরুণাচল প্রদেশে। সেখানে শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কাজে বিশেষ ছাপ রাখার পর বর্তমানে তিনি দিল্লির আউটার নর্থ জেলার জেলাশাসক হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More