Leftist Leader wins Brazil Election: বামেরা ফিরল ব্রাজিলে! সব ওলটপালট করে ‘সাম্বা ঝড়’ লুলার, তারপরই নিশানা ট্রাম্পকে
Leftist Leader wins Brazil Election: চতুর্থবারের জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হলেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। যাবতীয় হিসাব ওলটপালট করে দিয়ে নির্বাচনে জিতলেন। তারপরই নাম না করে নিশানা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।
Leftist Leader wins Brazil Election: নাটকীয়ভাবে ব্রাজিলের নির্বাচনে বাজিমাত করলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। প্রথম রাউন্ডে ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বোলসোনারোর কাছে কার্যত উড়ে যাওয়ার পরেও দুরন্ত কামব্যাক করে ইতিহাস তৈরি করে ফেললেন বামপন্থী নেতা। সেইসঙ্গে আর্জেন্টিনা, চিলি, কলম্বিয়া, পেরুর মতো দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশে যে ডানপন্থী ঢেউ উঠেছিল, তা প্রতিহত করে দিলেন। অনেকের দাবি, সেই ডানপন্থী ঢেউয়ের পিছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন ছিল। কিন্তু ব্রাজিলের নির্বাচনে তাঁকে ধাক্কা খেতে হল।
প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতার হাওয়া প্রবল ছিল বাম নেতার বিরুদ্ধে
যদিও একটা সময় ছবিটা পুরোপুরি উল্টো ছিল। ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা, বেকারত্ব, দুর্নীতির মতো তীরে বিদ্ধ হয়ে নির্বাচনের আগে প্রবল চাপে ছিলেন লুলা। বইছিল প্রবল প্রতিষ্ঠান-বিরোধী হাওয়া। সেই হাওয়ার তেজ এতটাই প্রবল ছিল যে প্রথম রাউন্ডে স্রেফ উড়ে যান সদ্য ৮১ বছরে পা দেওয়া লুলা। তাঁর বিদায়ঘণ্টা কার্যত বেজে গিয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে কামব্যাক করেন বাম নেতা।
ফুটবলের ভাষায় বললে দ্বিতীয়ার্ধে সাম্বা ঝড় তোলেন লুলা
সাম্বার দেশ ব্রাজিলের ফুটবলের ভাষায় বলতে গেলে প্রথমার্ধে কমপক্ষ পাঁচ গোলে পিছিয়ে ছিলেন লুলা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে চমকপ্রদ কায়দায় কামব্যাক করে বাজিমাত করে ফেলেন নির্বাচনে। তার ফলে ঐতিহাসিক চতুর্থবারের জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হতে চলেছেন লুলা। যিনি ১৯৮৯ সালে ব্রাজিলে একনায়কতন্ত্র শেষ হওয়ার পরে প্রথম প্রার্থী হিসেবে পয়লা রাউন্ডে হেরে গিয়েও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শেষ হাসি হাসলেন।
রিও থেকে সাও পাওলো- চলছে উচ্ছ্বাস
সরকারি ফলাফল অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫১.৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন লুলা। সেখানে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিওয়ের ঝুলিতে ৪৮.২ শতাংশ ভোট পড়েছে। সংবাদসংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যাবতীয় পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণিত করে বাম নেতা জেতার পরে রিও দি জেনেইরোতে বাজি পোড়ানো হতে থাকে। বাজানো হতে থাকে ভুভুজেলা। লুলার দলের লাল পোশাক পরে সাও পাওলোর রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন হাজার-হাজার মানুষ।
‘বিদেশি হস্তক্ষেপ রুখে দিয়েছি’, ট্রাম্পকে নিশানা লুলার
তারইমধ্যে নাম না করে ট্রাম্পকে নিশানা করে লুলা বলেন, ‘আমরা মানুষকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি যে ব্রাজিলে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য ভোট দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা বিদেশি হস্তক্ষেপ রুখে দিয়েছি (যে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা)। ব্রাজিল কারও বাড়ির দালান নয়। আমরা এই দেশের পরিচালনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনব। সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ আরও বাড়িয়ে তুলব।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


