...
...
Next Story

Lenskart: ক্ষমা চাইলেও নিস্তার মেলেনি! বিতর্কে পিছু হটে নয়া ড্রেস কোড লেন্সকার্টের

Lenskart: নতুন এই বিস্তারিত গাইডলাইন লেন্সকার্টের আগের ক্ষমাপ্রার্থনার পরেই এসেছে, যেখানে তারা জানিয়েছিল-কোনও অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করলে তারা তা সংশোধন করতে প্রস্তুত।

Published on: Apr 19, 2026 11:00 PM IST
Advertisement

Lenskart: সম্প্রতি কর্মীদের ড্রেস কোড সংক্রান্ত কিছু নির্দেশিকা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছে দেশের জনপ্রিয় আইওয়্যার সংস্থা লেন্সকার্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি গ্রুমিং গাইডে দাবি করা হয়, লেন্সকার্ট তাদের কর্মীদের হিজাব পরার অনুমতি দিলেও বিন্দি, তিলক এমনকী কালাওয়ারের মতো ধর্মীয় চিহ্নে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরবর্তীতে সংস্থার সিইও পিয়ূষ বনসল ‘গ্রুমিং পলিসি’ নিয়ে ক্ষমা চাইলেও বিতর্ক থামেনি। তার কয়েকদিন পর অবশেষে লেন্সকার্ট প্রকাশ করল তাদের নতুন, বিস্তারিত ইন-স্টোর স্টাইল গাইড।

নয়া ড্রেস কোড লেন্সকার্টের
নয়া ড্রেস কোড লেন্সকার্টের

লেন্সকার্ট-এর সিইও পিয়ূষ বনসল এক্স বার্তায় শেয়ার করা নয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, কাজের জায়গায় 'প্রফেশনাল লুক' বজায় রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কেও সম্মান জানানো হবে। কর্মস্থলে পেশাদারি পরিবেশের সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান করে লেন্সকার্ট। এরপরই পোশাকবিধি স্পষ্ট করে সংস্থা জানিয়েছে, সংস্থার দেওয়া টি শার্ট, ডার্ক ব্লু স্ট্যান্ডার্ড জিন্স, গাঢ় রঙের পা ঢাকা জুতো পরতে হবে কর্মীদের। এর সঙ্গে মঙ্গলসূত্র, টিপ, চুড়ি, তিলক, সিঁদুর এবং নিরাপদ হলে হিজাব, পাগড়িও পরা যাবে। পরা যাবে না, ছেঁড়া বা বিবর্ণ পোশাক, বড় লোগো ওয়ালা টি-শার্ট, খোলা জুতো বা স্লিপার, আপত্তিকর বা বৈষম্যমূলক বার্তা দেয় এমন পোশাক ব্যবহার করা যাবে না। নতুন এই গাইডলাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেই কোম্পানি জানায়, 'আমরা যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পেশাদার পরিবেশ চাই, তেমনি বহুত্ববাদ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান করাও আমাদের অঙ্গীকার।'

বলে রাখা ভালো, ২০১৯ সালে ইউনিকর্ন স্ট্যাটাস পাওয়া লেন্সকার্ট বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় আইওয়্যার ব্র্যান্ড। সংস্থাটি নিজস্ব ফ্রেম ও লেন্স তৈরি করে মধ্যস্বত্বভোগী বাদ দিয়ে তুলনামূলক কম দামে পণ্য সরবরাহ করে। শোনা যাচ্ছে, তারা আইপিওর প্রস্তুতিও নিচ্ছে এবং সংস্থার মূল্যায়ন প্রায় ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। সম্প্রতি আর্থিক ক্ষেত্রেও জোরালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে সংস্থাটি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিসেম্বর কোয়ার্টারে সংস্থার মুনাফা প্রায় ৭০ গুণ বেড়ে ১.৩১ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে তা ছিল মাত্র ১৮.৫ মিলিয়ন টাকা। একই সঙ্গে আয়ও বেড়েছে প্রায় ৩৮.৮ শতাংশ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe