Messi Retirement Latest Update: 'এই জার্সির জন্য সবকিছু দিয়েছি', আর্জেন্টিনার হয়ে আর খেলবেন না মেসি, নিলেন অবসর
Messi Retirement Latest Update: আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন লিওনেল মেসি। বাবার মৃত্যুর পরই মেসি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে বেশিদিন আর পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যাবেন না। আর কয়েকদিন পরেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন।
Messi Retirement Latest Update: সাম্রাজ্য থাকল, সাম্রাজ্যের মানুষ তথা ফ্যানরাও থাকলেন - কিন্তু সম্রাটহীন হয়ে পড়ল বিশ্ব ফুটবল। যে মানুষটার পায়ে ফুটবল বশ্যতা স্বীকার করেছিল, সেই লিওনেল মেসি অবসর নিলেন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে। অর্থাৎ আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিশ্ব ফুটবলের রাজপুত্রকে আর খেলতে দেখা যাবে না। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ হাতে নিয়ে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালটাই হয়ে থাকল আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসির শেষ ম্যাচটা।

ডায়েরির ৩ ছেঁড়া পাতায় অবসরের ঘোষণা মেসির
আর সেই ঘোষণা করার সময় আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন মেসি। বাবাকে হারানোর কয়েকদিনের মধ্যেই ডায়েরির তিনটি ছেঁড়া পাতার ছবি পোস্ট করে এক আবেগপ্রবণ বার্তায় আর্জেন্টিনার তারকা বলেন, ‘এটা (আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা) এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা আমায় কষ্ট দিয়েছে, এখনও গভীরভাবে কষ্ট দিচ্ছে। তবে আমি বুঝি যে এখন সেই সময়টা এসে গিয়েছে।’
আর্জেন্টিনার জার্সিটার জন্য সবকিছু জিতেছি, আবেগপ্রবণ মেসি
সেইসঙ্গে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে খেলার জন্য নিজেকে কতটা উজাড় করে দিয়েছেন, তা ব্যক্ত করে মেসি বলেন, ‘আমি দিব্যি দিয়ে বলছি, আমি সবসময়ই নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি - শুধু গত কয়েক বছরে নয়, যে সময় আমরা সবকিছু জিতেছি। বরং তার আগেও (নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি)। এই জার্সির জন্য আমি সবসময় লড়াই করেছি এবং মাঠে নিজের সবটুকু দিয়ে খেলেছি, যাতে আপনাদের আনন্দ দিতে পারি এবং ফুটবলের মাধ্যমে আর্জেন্টাইন হিসেবে আপনাদের গর্বিত করে তুলতে পারি।’
'আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর কিছু দেওয়ার মতো নেই আমার'
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সময় ফুরিয়ে আসছে, জীবনের এক-একটি অধ্যায় শেষ হচ্ছে।আর এই অধ্যায়টি আমায় ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। জাতীয় দলের অংশ হতে আমি সবসময়ই ভালোবাসি এবং ভবিষ্যতেও ভালোবাসব। আমি আমার সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি; আর কিছু দেওয়ার মতো অবশিষ্ট নেই। তাছাড়া দারুণ সব তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যাদের এই দলে জায়গা পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।’
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির রেকর্ড
১) আর্জেন্টিনার জার্সিতে মোট ২০৭টি ম্যাচ খেলেছেন। মোট ১২৫টি গোল করেছেন। যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। অ্যাসিস্টের সংখ্যা ৬৮।
২) মোট ছ'টি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ জিতেছেন। ২০১৪ সাল এবং ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে রানার্স-আপ হয়েছেন। ২০১৪ সাল এবং ২০২২ সালে জেতেন গোল্ডেন বল। আর ২০২৬ সালে সিলভার বল জেতেন।
৩) দু'বার কোপা আমেরিকা জিতেছেন - ২০২১ সাল এবং ২০২৪ সাল। আবার ২০১৫ সাল এবং ২০২১ সালে রানার্স-আপ হয়েছেন। ২০২১ সালে গোল্ডেন বুট জেতেন। আর ২০১৫ সাল এবং ২০২১ সালে জেতেন গোল্ডেন বল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


