Indian Railways Rules: ট্রেনে যাতায়াত করার সময় এমন অনেক যাত্রীকে দেখেছেন নিশ্চয়ই, যাঁরা মোবাইলে জোরে জোরে রিলস দেখেন, গান শোনেন কিংবা ইয়ারফোন ছাড়াই সিনেমা দেখেন। কেউ কেউ আবার ফোনের স্পিকার চালিয়ে উচ্চস্বরে কথা বলেন, যার ফলে আশপাশের যাত্রীরা সমস্যায় পড়েন। পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে রাতে, যখন ঘুমানোর চেষ্টা করা যাত্রীদের এই শব্দ সহ্য করতে হয়। অনেক সময় কাউকে আওয়াজ কমাতে বললে শুরু হয় বচসা, যা পরে বড় ঝগড়া এমনকী মারামারিতেও পরিণত হতে পারে। তাই ট্রেনে যাতায়াত করলে জেনে রাখা জরুরি, মোবাইলে জোরে অডিও চালানো বা অন্য যাত্রীদের শান্তিতে ব্যাঘাত ঘটানো শুধু অভদ্র আচরণ নয়, এর জন্য নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

রেল চত্বরে শব্দ করে অন্য যাত্রীদের বিরক্ত করলে সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এবং নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগের উপর জোর দিয়েছে দক্ষিণ রেল। এর জন্য রেলস্টেশনে মাইকে ঘোষণা করা হবে এবং যাত্রীদের আচরণ সম্পর্কে তাঁদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিতে বিভিন্ন জায়গায় নির্দেশিকা লাগানো হবে। টিকিট পরীক্ষার পাশাপাশি নিয়ম লঙ্ঘনকারী যাত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট রেলকর্মীদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রেনের মধ্যে এবং স্টেশন চত্বরে জোরে মোবাইলের অডিও বাজানো কিংবা উচ্চস্বরে ফোনে কথা বলে অন্যদের বিরক্ত করার অভিযোগ উঠলে গুনতে হতে পারে জরিমানা। পরিস্থিতি অনুযায়ী এক হাজার টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং ছ’মাস পর্যন্ত কারাবাসও হতে পারে। রেলের এই নির্দেশিকা কার্যকর হলে যাত্রাপথে মোবাইল ব্যবহারের অভ্যেসে বদল আনতেই হবে যাত্রীদের।
এই বিষয়ে রেল যাত্রীদের অভিযোগ জানানোর সময় ঘটনার জায়গা, কামরার নম্বর, আসন নম্বর এবং ঘটনার সময় উল্লেখ করলে সমস্যা সমাধানে সুবিধা হতে পারে। কোনও যাত্রী বারবার উচ্চস্বরে অডিও চালিয়ে বা অন্য কোনওভাবে বিরক্ত করলে কয়েকটি পদ্ধতিতে অভিযোগ জানাতে পারেন। কোন কামরায়, কোন আসনের কাছে সমস্যা হচ্ছে এবং কী ধরনের অসুবিধা হচ্ছে, তা স্পষ্ট করে বলতে হবে। রেলের অভিযোগ জানানোর পরিষেবার মাধ্যমে সমস্যার কথা জানাতে পারেন। নিজে ঝামেলায় না জড়িয়ে দ্রুত রেলকর্মী বা নিরাপত্তারক্ষীদের খবর দেওয়া সহজ। রেলের বক্তব্য, দীর্ঘক্ষণ উচ্চস্বরে ফোনে কথা বলা, ক্রমাগত রিংটোন বাজতে থাকা কিংবা হেডফোন ছাড়া গান, ভিডিও ও অন্যান্য অডিও চালানো নিয়ে নিয়মিত প্রচুর অভিযোগ জমা পড়ছে। বিশেষ করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কামরায় এই ধরনের শব্দে যাত্রীদের সমস্যা বাড়ে। ট্রেন যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, মোবাইলে সিনেমা, টিভি সিরিয়াল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার রিল স্পিকার অন করে দেখার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। শিশুদের কার্টুনও অনেক সময় হেডফোন ছাড়া চালিয়ে রাখা হয়। এক জনের মোবাইলের শব্দে গোটা কামরার যাত্রীদের ঘুম, বিশ্রাম কিংবা পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। রেলের পরামর্শ, যাত্রাপথে অডিও শুনতে হলে হেডফোন ব্যবহার করতে হবে এবং ফোনে কথা বলতে হবে স্বাভাবিক স্বরে।
{{/usCountry}}এই বিষয়ে রেল যাত্রীদের অভিযোগ জানানোর সময় ঘটনার জায়গা, কামরার নম্বর, আসন নম্বর এবং ঘটনার সময় উল্লেখ করলে সমস্যা সমাধানে সুবিধা হতে পারে। কোনও যাত্রী বারবার উচ্চস্বরে অডিও চালিয়ে বা অন্য কোনওভাবে বিরক্ত করলে কয়েকটি পদ্ধতিতে অভিযোগ জানাতে পারেন। কোন কামরায়, কোন আসনের কাছে সমস্যা হচ্ছে এবং কী ধরনের অসুবিধা হচ্ছে, তা স্পষ্ট করে বলতে হবে। রেলের অভিযোগ জানানোর পরিষেবার মাধ্যমে সমস্যার কথা জানাতে পারেন। নিজে ঝামেলায় না জড়িয়ে দ্রুত রেলকর্মী বা নিরাপত্তারক্ষীদের খবর দেওয়া সহজ। রেলের বক্তব্য, দীর্ঘক্ষণ উচ্চস্বরে ফোনে কথা বলা, ক্রমাগত রিংটোন বাজতে থাকা কিংবা হেডফোন ছাড়া গান, ভিডিও ও অন্যান্য অডিও চালানো নিয়ে নিয়মিত প্রচুর অভিযোগ জমা পড়ছে। বিশেষ করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কামরায় এই ধরনের শব্দে যাত্রীদের সমস্যা বাড়ে। ট্রেন যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, মোবাইলে সিনেমা, টিভি সিরিয়াল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার রিল স্পিকার অন করে দেখার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। শিশুদের কার্টুনও অনেক সময় হেডফোন ছাড়া চালিয়ে রাখা হয়। এক জনের মোবাইলের শব্দে গোটা কামরার যাত্রীদের ঘুম, বিশ্রাম কিংবা পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। রেলের পরামর্শ, যাত্রাপথে অডিও শুনতে হলে হেডফোন ব্যবহার করতে হবে এবং ফোনে কথা বলতে হবে স্বাভাবিক স্বরে।
{{/usCountry}}ট্রেনে অতিরিক্ত শব্দের সমস্যা নতুন নয়। ২০১২ সালেও রেল বোর্ড বিভিন্ন রেলওয়ে জোনকে এই ধরনের আচরণ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে অনেক জায়গায় সেই উদ্যোগের প্রভাব সীমিত ছিল। এবার পশ্চিম রেলওয়ে মাইকে ঘোষণা, নোটিস এবং রেলকর্মীদের মাধ্যমে নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।