এলপিজি বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রতি সময়ীসা বেঁধে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। চলমান ইরান যুদ্ধের আবহে যাতে কোনওভাবে দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি না হয়, তাই আগেভাগে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত এখনও জারি আছে। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার এলপিজি বুকিংয়ের নিময়ে রদবদল করা হল। রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার ডবল সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি করা হয়েছে সময়সীমা। এরই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনাতেও গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা বদল করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব গ্রাহকরা উজ্জ্বলা যোজনার অন্তর্গত নন, তাঁদের ক্ষেত্রে ডবল সিলিন্ডার বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩৫ দিন করা হয়েছে। তবে সিঙ্গল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এখনও সময়সীমা ২৫ দিনই রয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় ৫ কেজির সিলিন্ডারের বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা একই রয়েছে। শহরে ৫ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডার বুক করার ৯ দিন পরে দ্বিতীয়টি বুক করা যাবে। গ্রামীণ এলাকায় ১৬ দিন পরে পরবর্তী সিলিন্ডার বুক করা যাবে। আর শহরে ১০ কেজির সিলিন্ডার বুক করার পরে পরবর্তী সিলিন্ডার বুক করা যাবে ১৮ দিন পরে। গ্রামীণ এলাকায় এই ব্যবধান ৩২ দিনের।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের প্রতিদিন গড়ে ৯৩ হাজার ৫০০ টন এলপিজি লাগে। এর মধ্যে ঘরোয়া ব্যবহার ৮০ হাজার ৪০০ টনের মতো। এই এলপিজি চাহিদা মেটাতে ৬০ শতাংশ গ্যাসই আমদানি করে যাতে ভারত। আর আমদানির ৯০ শতাংশই আসত পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে। তবে ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ক্রমাগত হামলার জেরে গ্যাস আমদানি নিয়ে শঙ্কিত ভারত। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতে ৩ বা ৪ জনের একটি পরিবারে ১৪.২ কেজি গ্যাস চলে ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মতো।
এদিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের ঘাটতি নিয়ে যাতে আতঙ্ক না ছড়ানো হয় বা কালোবাজারি না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যগুলিকে নজরদারি বাড়াতে হবে বলে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আবহে ২৪ মার্চ সংসদে বক্তব্য পেশ করার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ভারতের পর্যাপ্ত অপরিশোধিত জ্বালানির ভাণ্ডার রয়েছে। এছাড়াও জ্বালানি আমদানিকারক দেশের সংখ্যা বাড়িয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}এদিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের ঘাটতি নিয়ে যাতে আতঙ্ক না ছড়ানো হয় বা কালোবাজারি না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যগুলিকে নজরদারি বাড়াতে হবে বলে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আবহে ২৪ মার্চ সংসদে বক্তব্য পেশ করার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ভারতের পর্যাপ্ত অপরিশোধিত জ্বালানির ভাণ্ডার রয়েছে। এছাড়াও জ্বালানি আমদানিকারক দেশের সংখ্যা বাড়িয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}