ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকার নিপীড়িত মানুষের লড়াই, এই সমস্ত ক্ষেত্রেই যাঁর নাম সসম্মানে উচ্চারিত হয়, তিনি মহাত্মা গান্ধী। যিনি সংগ্রাম, লড়াইয়ের মধ্যে থেকেও ক্রমাগত বিশ্বশান্তি, বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিয়েছেন, তিনি মহাত্মা গান্ধী। ২ অক্টোবর ২০২৬ এ তাঁর ১৫৭তম জন্মদিন পালন হতে চলেছে। দেশের মাটি থেকে শুরু করে,বিদেশের মাটিতেও তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছরই নানান আয়োজন হয়। দেখে নেওয়া যাক, মহাত্মা গান্ধীর কিছু অবিস্মরণীয় উক্তি।

অনুপ্রেরণার সুরে গান্ধীজি বলছেন, ‘যদি সঠিক পথ বেছে নেন, তাহলে আশা ছাড়বেন না। কারণ, যতই বাঁধা-বিপত্তি আসুক না কেন একদিন না একদিন ভাল মানুষদের জয় হবেই হবে।’
স্বাভাব ও আচার ব্যবহার নিয়ে মহাত্মা গান্ধী বলছেন, ‘কেউ আপনার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলে বা সমালোচনা করলে আপনার কিছু করার নেই। কিন্তু সেই খারাপ ব্যবহার বা সমালোচনার জবাব আপনি কীভাবে দিচ্ছেন, তা কিন্তু আপনি নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাই ভেবে-চিন্তে জবাব দিন।’
মানুষ হয়ে ওঠা নিয়ে গান্ধীজির বার্তা, ‘মানুষ হল তার চিন্তার ফসল। সে যা চিন্তা করে, তাই হয়ে ওঠে।’
হিংসার রাস্তা ছেড়ে দিয়ে এগোনোর বার্তা দিচ্ছেন গান্ধীজি। তিনি বলেন, ‘অহিংসা হলো মানবজাতির কাছে থাকা সবচেয়ে বড় শক্তি।’
গান্ধীজির বিখ্যাত এক উক্তি হল, ‘চোখের বদলে চোখ পুরো বিশ্বকে অন্ধ করে দেয়।’
ক্ষমা নিয়ে গান্ধীজি বলছেন, ‘দুর্বলরা কখনো ক্ষমা করতে পারে না। ক্ষমা করা হলো শক্তিশালীদের বৈশিষ্ট্য।’
গান্ধীজির বার্তা, ‘সুখ তখনই আসে যখন আপনি যা ভাবেন, যা বলেন এবং যা করেন,সবকিছুই সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।’
{{/usCountry}}গান্ধীজির বার্তা, ‘সুখ তখনই আসে যখন আপনি যা ভাবেন, যা বলেন এবং যা করেন,সবকিছুই সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।’
{{/usCountry}}মানবতা নিয়ে গান্ধীজি বলেন, ‘মানবতার ওপর বিশ্বাস হারাবেন না। মানবতা একটা মহাসমুদ্রের মতো; সমুদ্রের কয়েক ফোঁটা জল নোংরা হলেও পুরো সমুদ্র নোংরা হয়ে যায় না।’
গান্ধীজি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ নির্ভর করে আমরা বর্তমানে কী করছি তার ওপর।’