...
...
Next Story

Intelligence Bureau: চিকিৎসক থেকে IPS! ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো'র নয়া প্রধান মহেশ দীক্ষিতকে চেনেন?

Intelligence Bureau: ১৯৯৩ ব্যাচের আইপিএস মহেশ দীক্ষিত অন্ধ্রপ্রদেশ ক্যাডারের অন্তর্গত। তিনি বর্তমানে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে (আইবি) বিশেষ পরিচালক হিসেবে কর্মরত, যা আইবির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ।

Published on: Jun 26, 2026, 12:30:11 IST
Advertisement

Intelligence Bureau: দেশের নতুন গোয়েন্দা প্রধান হচ্ছেন মহেশ দীক্ষিত। এই ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসের (আইপিএস) অফিসারকে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি)-র প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি তাঁর এই নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে।

ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো'র নয়া প্রধান মহেশ দীক্ষিত (X/@VIGNESHBJP_KTK)
ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো'র নয়া প্রধান মহেশ দীক্ষিত (X/@VIGNESHBJP_KTK)

মহেশ দীক্ষিত আগামী ৩০ জুন বর্তমান প্রধান তপন কুমার ডেকার স্থলাভিষিক্ত হবেন। ২০২২ সালের জুন মাসে দুই বছরের জন্য আইবি প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হওয়া ডেকার মেয়াদ ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দু'বার বাড়ানো হয়েছিল। ডেকা হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের ১৯৮৮ ব্যাচের আইপিএস আধিকারিক। গত বছর মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর হিসেবে ডেকার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৩০ জুনের পরেও বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছিল। আইবি হলো ভারতের প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা। এটি মূলত দেশের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমন, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি-সহ নানা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে। এটি অন্যান্য সংস্থা এবং পুলিশকেও সহায়তা করে।

কে এই মহেশ দীক্ষিত?

১৯৯৩ ব্যাচের আইপিএস মহেশ দীক্ষিত অন্ধ্রপ্রদেশ ক্যাডারের অন্তর্গত। তিনি বর্তমানে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে (আইবি) বিশেষ পরিচালক হিসেবে কর্মরত, যা আইবির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ। গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মহেশ দীক্ষিতের ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেশাগত জীবনে চিকিৎসক থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আধিকারিক হওয়া মহেশ দেশের প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাটিতে প্রায় তিন দশকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। শ্রীনগরে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ‘সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো’ (এসআইবি)-র প্রধান হিসেবে কাশ্মীরে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন দীক্ষিত-যার আওতাধীন এলাকায় জম্মু ও কাশ্মীরের পাশাপাশি লেহ-র গোয়েন্দা কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৩৭০ ধারা বাতিলের পরবর্তী সময়ে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। পাশাপাশি, তিনি উত্তর-পূর্ব ভারত ও লাদাখে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা থেকে শুরু করে মাওবাদী-বিরোধী (অ্যান্টি-নকশাল) বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্ব সামলেছেন।

সরকারি আদেশে কী বলা হয়েছে?

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe